kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

১৩০০ যৌনকর্মীকে খাবার দিলেন এমপিকন্যা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি    

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৭:৪৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৩০০ যৌনকর্মীকে খাবার দিলেন এমপিকন্যা

কানিজ ফাতেমা চৈতি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলীর একমাত্র সন্তান। তবে তিনি রাজবাড়ীর আওয়ামী লীগ অথবা তার কোন সহযোগী সংগঠনের পদে নেই তিনি। শ্বশুরালয় বগুড়া ও ঢাকার বাসায় থাকেন তিনি। মাঝে মধ্যে আসেন তিনি রাজবাড়ীর বাড়িতে। নানা রকম কর্মকান্ডে নিয়োজিত হন তিনি। ইতোপূর্বেও ভালো ভালো কাজে তাকে অংশ নিতে দেখা গেছে। এবার করোনাভাইরাস আতঙ্ক এবং সরকারি ঘোষষণার পর হত দরিদ্র ও দিন মজুর খেটে খাওয়া মানুষগুলোর পাশে জেলা শহরে সর্বপ্রথম তিনিই এগিয়ে আসেন। তিনি নিজস্ব ভাবে সদর উপজেলা ও গোয়ালন্দ উপজেলায় এক হাজার প্যাকেট খাবার বিতরণ করেন এবং লকডাউন করা দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর ১ হাজার ৩ শত দরিদ্র বাসিন্দার মাঝেও তিনি খাবার তুলে দেন। জেলা শহরের সাধারণ মানুষের মাঝে এক হাজার পিচ মাস্ক, সহস্রাধিক রিক্সা চালকের মাঝে হ্যান্ড গ্লাভস, চিকিৎসক ও নার্সদের নিরাপত্তা বৃদ্ধির পিপিই প্রদান করেন। 

আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা-কর্মী বলেন, কানিজ ফাতেমা চৈতির কর্মকান্ড অনেকটাই ব্যতিক্রমী। তিনি সরাসরি রাজনীতির সাথে যুক্ত না থাকলেও দলকে তিনি মনে প্রণে ভালো বাসেন। তার সংস্পর্শে থাকা নেতা-কর্মীদের বিপদে আপদেও পাশে থাকেন। করোনাভাইরাসের লকডাউনের সময় কর্মহীন মানুষেরা খাদ্যের অভাবে চরম দুর্দাশায় পরে যান। আর সেই সময় তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি ঢাকার বাসায় অবস্থান করেও তার জন্মভূমির মানুষের কথা ভাবছেন এটাই অনেক বড় ব্যাপার। অথচ অনেক নেতাই এখনো নিজের বাসায় স্ব-পরিবারের সাথে অবস্থান করছেন। কারো বিপদে পাশে দাঁড়াচ্ছেন না। তাদের দাবী শুধু সরকারি সাহায্যের দিকে না তাকিয়ে থেকে নিজেরাও অভাবগ্রস্থ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াই।

কানিজ ফাতেমা চৈতি জানান, তিনি বাসার মধ্যে অবস্থান করলেও, মনটা তার রাজবাড়ী জেলা সদর ও গোয়ালন্দ উপজেলার দরিদ্র মানুষদের পাশে পরে আছে। কে কি করলো এটা বড় কথা নয়, আমি কি করলাম সেটাই বড়। আমি চাই সকল বিত্তবান মানুষ এই সব অসহায়দের পাশে দাঁড়াক। তিনি দলীয় পদ বা অন্য কোন সুবিধা পেতে নয়, মন থেকে এই ধরণের কাজ করতে ভালোবাসেন বলেও জানা তিনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা