kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

শঙ্খ নদীর চরে সবজির বাম্পার ফলন

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৭:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শঙ্খ নদীর চরে সবজির বাম্পার ফলন

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রমত্তা শঙ্খ নদী। বছরের ছয় মাস এ শঙ্খ নদীতে জেগে উঠে চর। ফলে এলাকার ষাট শতাংশ লোক শঙ্খ নদীর জেগে উঠা চর ও দুইপাড়ে বিভিন্ন জাতের সবজির চাষ করে থাকেন। এতে ভাল ফসল পায় কৃষকরা। অল্প সময়ে অধিক লাভ হওয়ায় সবজি চাষে এগিয়ে আসছেন এলাকার শিক্ষিত তরুনরাও। প্রতিদিন দোহাজারী বাজারে পাইকারী ও খুচরা ক্রেতা বিক্রেতার ভিড়।

শুষ্ক মৌসুমে শঙ্খের দুইপাশে যতদূর দেখা যায় সবজি ক্ষেত আর ক্ষেত। এ শঙ্খ নদীর পাড়ে সার ও কীটনাশক বিহীন মুলা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমেটো, বাদাম মরিচ, বেগুন, চিচিঙ্গা, বরবটি চাষ করা হয়। তাদের কেউ কেউ ইতিমধ্যে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সাহসী ভুমিকাও পালন করছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগীতা করছে প্রযুক্তি দিয়ে।

শঙ্খ চরে সবজি চাষ করে সফলতা অর্জনকারী দোহাজারী চাগাচর এলাকার আলাউদ্দিন জানান বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ী ঢলে শঙ্খ নদীতে যে চর জাগে উক্ত চরের মাটিগুলো খুবই উর্বর। এ কীটনাশক মুক্ত সবজি অন্যান্য এলাকার কীটনাশকযুক্ত সবজি চেয়ে স্বাদ বেশী। এলাকা ছাড়া বাহিরেও এর চাহিদা রয়েছে প্রচুর। তাই ইদানিং কৃষকরা এসব সবজির চাষাবাদ করার জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছে বেশি।

চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া এলাকার বৈলতলী, বরমা, কালিয়াইশ, খাগরিয়া, চরতী, আমিলাইশ, পূরাণগড়, বাজালিয়া, দোহাজারী, চাগাচর এলাকায় অধিকাংশ জমিতে চাষাবাদ হয় নিরাপদ সবজি। এতে সার ও কীটনাশক ছাড়াই দেশীয় গোবর দিয়ে সবজি চাষ করা যায়। তবে চাষীরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ তাদের।

এ ব্যাপারে চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী এলাকার শিক্ষিত ও প্রবীন চাষী এম. ফয়েজুর রহমান জানান, চন্দনাইশ উপজেলায় ব্যাপক সবজি চাষ হয়। সবজির বাজারজাতকরণ বা হিমাগার না থাকায় এবং বিদ্যামান সুযোগ সুবিধার অভাবে ন্যায্য দাম পাওয়া যাচ্ছে না। 

চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্বৃতি রাণী সরকার জানান, চন্দনাইশে প্রায় ২৫০০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করা হয়েছে। এতে ফলনও খুব ভাল হয়েছে। অন্যান্য মৌসুমে এ সময়ে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টির কারণে ফষলের ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু এ বছর কোনো ধরনের বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে সবজির ভাল ফলন হয়েছে। সবজির দামও ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। কোনো ধরনের ঘাটতি নেই।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা