kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

'ত্রাণ বিতরণ ও বাছাইয়ে কোনো অনিয়ম করলে ছাড় নয়'

নওগাঁ প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ০৫:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'ত্রাণ বিতরণ ও বাছাইয়ে কোনো অনিয়ম করলে ছাড় নয়'

ত্রাণ বিতরণ ও বাছাইয়ে কোনো অনিয়ম করলে ছাড় নয় বলে জানিয়েছেন, নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, করোনায় দুর্যোগ মুহূর্তে সরকার খেটে খাওয়া দিনমজুরদের জন্য যে অনুদান দিয়েছেন তার জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। কর্মহীনদের আগে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং তাদের খাদ্য নিশ্চিত করা হবে।

এজন্য জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক ও ভোলেন্টিয়ার সমন্বয়ে তালিক প্রস্তুত করবেন। তালিকা তৈরির পর ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হবে। তবে বাছাই ও বিতরণে যদি কোনো ধরনের অনিয়ম করা হয় তহালে ছাড় নয়।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নওগাঁ’র জেলা প্রশাসক মো. হারুন-অর-রশীদের সঙ্গে প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভায় একথাগুলো বলেন।

তিনি জানান, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে কর্মহীন মানুষদের সহায়তায় সরকারিভাবে নওগাঁ জেলায় মোট ৫৪১ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ১৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বরাদ্দ পওয়া গেছে। ইতিমধ্যেই ১২৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে। 

এছাড়াও বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে যারা হোম কোয়ারেন্টিন মেনে না চলায় ১৭টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এমন ২৬ জনের মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা,  সামাজিক দূরত্ব বজায় নিয়ম মেনে না চলার কারণে ২৫টি মোবাইল কোর্টে মোট ৬৬ জনের বিরুদ্ধে ৬১ হাজার টাকা জরিমানা এবং ক্রেতাদের নিকট থেকে অধিক দ্রব্যমূল্য আদায়ের কারণে ১৫টি মোবাইল কোর্টে ২৫ জনের নিকট থেকে ৭৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। 

তিনি আরো জানান, রানার গ্রুপের নিকট থেকে ২ হাজার পিস পিপিই পাওয়া গেছে। এর মধ্যে এই সভায় ১ হাজার পিস পিপিই নওগাঁর সিভিল সার্জন ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের নিকট হস্তান্তর করেছেন।

এ সময় মো. ছলিম উদ্দীন তরফদার সেলিম এমপি, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম, নওগাঁ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোমিনুল হক এবং সিভিল সার্জন ডা. আ. ম. আখতারুজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামসহ জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নওগাঁ জেলায় গত ৭২ ঘণ্টায় আর নতুন করে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয় নাই। তবে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৭৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছিল। এদের মধ্যে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০২ জনকে ১৪ দিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন ৩৭৬ জন। হোম কোয়ারেন্টিন থেকে মুক্ত হয়ে তাঁরা সবাই সুস্থভাবে জীবনযাপন করছেন। এদের কারো মধ্যে করোনাভাইরাসের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা