kalerkantho

সোমবার । ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ১  জুন ২০২০। ৮ শাওয়াল ১৪৪১

পৌর এলাকায় ত্রাণ দিতে বিলম্ব

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩১ মার্চ, ২০২০ ২০:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পৌর এলাকায় ত্রাণ দিতে বিলম্ব

করোনা দুর্যোগে সকল স্থানের নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ পড়েছেন দুর্ভোগে। এ অবস্থায় দরিদ্র অসহায় মানুষের সহায়তায় কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় ৫৮০৬টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। তবে এর মাঝে পৌর এলাকায় বসবাসরত দরিদ্ররা নেই বলে জানা গেছে। যা প্রতিক্রিয়া তৈরী করেছে।

সূত্র জানায়, গত শনিবার থেকে ত্রান কার্যক্রম শুরু হলেও জেলার আটটি পৌরসভায় দুর্ভোগে পড়া শ্রমজীবী লোকজনের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছেনি। এ পরিস্থিতিতে পৌর এলাকার নিম্ন আয়ের লোকজন খাদ্য সঙ্কটে পড়েছেন।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মাহমুদ পারভেজ বলেন, ‘পৌর এলাকায় দিন আনে দিন খায় এ ধরণের শ্রমজীবী লোকের সংখ্যা অনেক। তাদের মাঝে গত চার দিনে কোনো খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাকে শ’খানিক লোকের তালিকা করতে বলা হয়েছে। অপ্রতুল বরাদ্দ নিয়ে মানুষের কাছে গেলে অসন্তোষ বাড়বে।’

হোসেনপুর পৌরসভার মেয়র মো. আব্দুল কাইয়ুম খোকন বলেন, ‘পৌরসভার জন্য পৃথক কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। উপজেলা প্রশাসনে যে বরাদ্দ গেছে সেখান থেকেই কিছু বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু এভাবে পৌরসভার চাহিদা পূরণ হবে না।’ 

করিমগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হাজি আব্দুল কাইয়ুম বলেন, ‘উপজেলা থেকে আমার পৌরসভার জন্য কিছু বরাদ্দ দেওয়া হবে শুনেছি।’

হোসেনপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মহি উদ্দিন এ প্রসঙ্গে বলেন, ’হোসেনপুরে ছয়টি ইউনিয়ন। তবে আমি পৌরসভাকে হিসেবে রেখে কাজ শুরু করেছি। পৌর এলাকায় কিছু খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’ 

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বলেন, ’খাদ্য সহায়তা থেকে কেউ বাদ যাবে না। সোমবার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর থেকে কিশোরগঞ্জের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে আরও ১৫০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ চার লাখ টাকা। সবমিলিয়ে আমাদের হাতে এখন মজুদ রয়েছে প্রায় ৩৭৬ মেট্রিক টন চাল ও নগদ সাত লাখ টাকা। এরই মধ্যে ৫৮০৬টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বাকি দিনগুলোতে সবার কাছে খাদ্য চলে যাবে।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা