kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

ছয়লেনের কালনা সেতু, নির্মাণে দ্রুতগতি

নিজামুল আলম মোরাদ, কাশিয়ানী থেকে    

২৯ মার্চ, ২০২০ ১২:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছয়লেনের কালনা সেতু, নির্মাণে দ্রুতগতি

বাংলাদেশের প্রথম ছয়লেনবিশিষ্ট সেতু নির্মাণ হচ্ছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে মধুমতি নদীর ওপর। আগামী ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এই সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ব্রিজের ৩০ ভাগ কাজ শেষ করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। শুধু কালনাতেই নয়, এ ব্রিজের স্টিল ফ্রেমের কাজ (চলমান রয়েছে) চলছে ভিয়েতনামে। তিনশতাধিক শ্রমিক প্রতিদিন এই ব্রিজ নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছ। গোপালগঞ্জ, নড়াইল, খুলনা ও যশোর, বেনাপোলসহ দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ বছরের স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রাণের সেতু এই কালনা সেতু। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি পূরণের আরো এক ধাপ এই সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাবে। আর তাইতো এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। 

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মধুমতি নদীর ওপর কালনা সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। ছয়লেনবিশিষ্ট ৬৯০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ২৭ দশমিক ১ মিটার প্রস্থ এ সেতুটি। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬০ কোটি টাকা। জাইকার সহযোগিতায় ও দেশীয় অর্থে তিনটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এ সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি এই সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, আর ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।

কালনা সেতুর সহকারী প্রকল্প পরিচালক এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন জানিয়েছেন, ছয়লেনের এ সেতু হবে এশিয়ান হাইওয়ের অংশ। চারটি মূল লেনে দ্রুতগতির এবং দুটি লেনে কম গতির যানবাহন চলাচল করবে। উভয় পাশের অ্যাপ্রচ সড়ক হবে ৪ দশমিক ৩০ কিলোমিটার।

তিনি আরো জানান, জাপান ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন এজেন্সির (জাইকা) অর্থায়নে এ সেতু নির্মিত হচ্ছে। জাপানের টেককেন করপোরেশন, ওয়াইবিসি ও বাংলাদেশের আব্দুল মোনেম লিমিটেড যৌথভাবে এই সেতুর নির্মাণ কাজ করছে। কালনা সেতুটির নির্মাণকাজ শেষ হলে পাল্টে যাবে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান, আর সেই সাথে বেনাপোল-ঢাকা মহাসড়ক পথে অল্পখরচে পণ্য পরিবহনে সুযোগ পাবে আমদানি-রপ্তানিকারকরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা