kalerkantho

বুধবার । ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩ জুন ২০২০। ১০ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা আতঙ্কে কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষ

হিলি প্রতিনিধি   

২৯ মার্চ, ২০২০ ০৭:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা আতঙ্কে কর্মহীন খেটে খাওয়া মানুষ

দিনাজপুরের হিলিতে করোনাভাইরাসের আতঙ্কে দিন দিন কর্মহীন হয়ে পড়ছে স্থলবন্দরের হতদরিদ্র ও খেটে খাওয়া মানুষজন। ভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে একে একে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দিনমজুরদের কাজ। কিন্তু যে মানুষগুলো দিন আনে দিন খায় তাদের পরিবারগুলো অর্ধাহারে বা অনাহারে পড়ার শঙ্কায় পড়েছেন।

তাদের দাবি পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হওয়ার আগেই তাদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে সরকার যেন অন্তত দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা করেন। অন্যথায় না খেয়ে দিনযাপন করতে হবে তাদের।

হিলি বন্দরের শ্রমিক মাহমুদুল হক, আলমগীর হোসেন ও নুরুজ্জামান বলেন, করোনা সংক্রমণের ভয়ে কাজ বন্ধের ঘোষণা করে দিয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা।

উপজেলার মুহাড়াপাড়া গ্রামের আজিজার রহমান জানান, তার এলাকার অনেকেই এখন কাজ না পেয়ে কর্মহীন হয়ে বিপাকে পড়েছে। তিনি বলেন, সরকার যদি আমাদের কথা না ভাবে তাহলে না খেয়ে থাকতে হবে।

শুধু আজিজার নয়, কৃষি শ্রমিক, অটো-মাইক্রো চালক ও রিকশাচালকের মতো যারা একদিন কাজ না করলে পেটে ভাত যায় না, তারা অর্ধাহারে অনাহারে থাকার আশঙ্কায় রয়েছেন।

হতদরিদ্র মানুষগুলো এখন তাই সরকারের দিকে তাকিয়ে। তাদের দাবি দরিদ্র কর্মহীন মানুষগুলোর তালিকা করে সরকার যেন খাদ্যের বিশেষ ব্যবস্থা করে।

এ ব্যাপারে হিলি- হাকিমপুর পৌর মেয়র জামিল হোসেন চলন্ত জানান, হাকিমপুর ফাউন্ডেশন নামের একটি ছাত্রদের সেচ্ছাসেবী সংগঠন এলাকার হতদরিদ্রদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তবে তারা যে সহায়তা দিচ্ছে এলাকার জন্য তা যথেষ্ট না। এ রকম এলাকার বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, আমরা ত্রাণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি ২-১ দিনের মধ্যে দেওয়ার ব্যবস্থা নিবো।

খট্রা মধবপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারিভাবে এখনও কোনো বরাদ্দ পাইনি। পেলেই ত্রাণ দেওয়া হবে। তবে ভিজিডি কার্ডধারীদের চাল তাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

হাকিমপুর উপজেলা নিবার্হী অফিসার আব্দুর রাফিউল আলম বলেন, অসহায়দের সরকারিভাবে ত্রাণ দেওয়া হবে। এ জন্য তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। ২-১ দিনের মধ্যে অসহায়দের খাদ্য প্রদান করা হবে।

হাকিমপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, আরও আগে থেকেই অসহায় গরীবদের সহায়তা করার প্রয়োজন ছিলো। সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি এলাকার বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানাচ্ছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা