kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

হিলিতে সাংবাদিকদেরই নেই সুরক্ষা পোষাক

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি   

২৮ মার্চ, ২০২০ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হিলিতে সাংবাদিকদেরই নেই সুরক্ষা পোষাক

দিনাজপুরের হিলি বন্দরের কর্মরত কর্মরত সংবাদকর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। নেই কোন তাদের সুরক্ষা পোষাক। করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে, তাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি এবং এক জনগোষ্ঠী থেকে অন্য জনগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশেও মৃত্যু হয়েছে। 

সরকার করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে জনগনকে ঘর থেকে বাহির হতে নিষেধ করছে। তবুও থেমে নেই হিলির সংবাদকর্মীরা। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে অসংখ্য মানুষের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সংবাদকর্মীদের। কিন্তু তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকার কেউ করছেনা। বাধ্য হয়ে কর্মরত হিলির সংবাদকর্মীরা বিনা সুরক্ষায় সংবাদের খোঁজে মাঠেঘাটে-শহরে-বন্দরে- গ্রামে সংবাদ সংগ্রহের জন্য চষে বেড়াচ্ছেন।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ দিতে আইনজীবী জে. আর. খান রবিন জনস্বার্থে হাইকোর্টে ২৩ মার্চ রিট দায়ের করেন । আদালত নিজ খরচে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মীদের পিপিই সরবরাহের আদেশ দেন। কিন্তু আজও সরবরাহ করা হয়নি পিপিই। 

হাকিমপুর (হিলি) প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও গাজী টিভির প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন বুলু বলেন, হিলিতে দেশের প্রায় সবকটি টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার ৪০ জন সংবাদকর্মী আছেন। তারা করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সংবাদকর্মীদের সুরক্ষার জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছে না। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সংবাদকর্মীদের সুরক্ষার জন্য পিপিই সরবরাহ করার দাবি জানান।
 
হাকিমপুর (হিলি) প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বৈশাখী টিভির প্রতিনিধি গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন বলেন, সংবাদকর্মীরা সবসময় অবহেলার শিকার। সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও থেমে নেই সীমান্ত ঘেঁষা হিলির সংবাদকর্মীরা। আদালতের আদেশ দেয়ার পর মিডিয়া হাউসগুলোর পিপিই সরবরাহের কোন লক্ষণ দেখছি না। মিডিয়া হাউসগুলোর উচিত নিজের পরিবারের সদস্য হিসেবে নিজ নিজ সংবাদকর্মীদের পিপিই সরবরাহ করা। তাতে নিজের পরিবারের লোকগুলোই সুরক্ষিত থাকবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা