kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

বিপাকে ৮০০ দুগ্ধ খামারি

হুমায়ূন কবির শাহ্ সুমন, কর্ণফুলী থেকে   

২৮ মার্চ, ২০২০ ১৭:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিপাকে ৮০০ দুগ্ধ খামারি

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগের মধ্যে দেশের বিভিন্ন দুগ্ধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার আট শতাধিক খামারিরা উৎপাদিত দুধ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। মিষ্টির দোকান ও চা স্টল বন্ধ এবং হাটবাজারে লোক সমাগম কমে যাওয়ায় খোলা বাজারেও খুচরা দুধের চাহিদা কমে গেছে। এ অবস্থায় খামারিরা খোলাবাজারে স্বল্প মূল্যে দুধ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।

কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান, শিকলবাহা, জুলধা, চরপাথরঘাটা ও চরলক্ষ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে প্রায় আট শতাধিক ডেইরি খামার রয়েছে। প্রতিটি কৃষক তাদের বাড়িতে দুগ্ধ উৎপাদনকারী গাভী লালন পালন করেন। এ এলাকা থেকে মিল্ক ভিটা, মিষ্টি কারখানাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তরল দুধ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাত করে সারাদেশে বাজারজাত করে থাকে। করোনা আতঙ্ক সারাদেশের মতো কর্ণফুলীতেও ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান সময়ে এখানকার আট শতাধিক দুগ্ধ খামারি বিপাকে পড়েছেন। 

লিয়াকত আলী করিম বলেন, করোনাভাইরাসের প্রভাবে হঠাৎ করেই বাজারে গরুর খাদ্যের দামও বেড়ে  গেছে। দুধ উৎপাদন হলেও বিক্রি করতে না পেরে আমাদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছি। কিছু দুধ বিক্রি করতে পারলেও দাম পাচ্ছি মাত্র ৩০ টাকা লিটার। এতে আমরা লোকসানের মুখে পড়ছি।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডেইরি ফার্মারস এ্যাসোসিয়েশনের প্রচার সম্পাদক কাউসার শাহ্ বলেন, বাজারের সব কিছু বন্ধ থাকায় দুধের চাহিদা অনেকটায় কমে গেছে। ছোট বড় খামারীরা দুধ নিয়ে পড়েছে বিপাকে। পাচ্ছেন না ভালো দাম। খামারিদের উৎপাদিত দুধ বিভিন্ন মিষ্টির দোকান, মিল্ক ভিটা ছাড়াও মানুষের নিত্যদিনের খাবার ছিল। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বড় ধরনের ক্ষতির সস্মুখীন হচ্ছে খামারিরা। শিশু খাদ্য দুধ বাজারজাত স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রীর হন্তক্ষেপ কামনা করে আমরা বুধবার সকালে এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দরা চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদের সঙ্গে সাক্ষাত করে স্মারকলিপি নিয়েছি। 

কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নোমান হোসেন বলেন, মন্ত্রী মহোদয় ও উপজেলা চেয়ারম্যান সঙ্গে এবিষয়ে কথা হয়েছে। বিষয়টি প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাও জানানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা