kalerkantho

রবিবার। ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৭ জুন ২০২০। ১৪ শাওয়াল ১৪৪১

বাজারে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে লাখো মানুষ

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২৮ মার্চ, ২০২০ ১৬:১৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাজারে ময়লার ভাগাড়, দুর্ভোগে লাখো মানুষ

বর্তমানে পুরো বিশ্বে মহামারি হয়ে উঠা করোনাভাইরাসের প্রভাব বিস্তার রোধে যেখানে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা বা থাকার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে সেখানে কক্সবাজারের চকরিয়ার উপকূলীয় বদরখালী বাজারে বিরাজ করছে অন্য পরিবেশ। ঐতিহ্যবাহী এই বাজারটিতে কোন মানুষ গেলেই উৎকট গন্ধ ও ময়লা-আবর্জনার ভাগাড় দেখেই বুঝার বাকি থাকবে না কোন পরিবেশে রয়েছেন এখানকার মানুষ। অবিলম্বে এই দুর্বিষহ পরিত্রাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের ত্বড়িৎ পদক্ষেপ কামনা করেছেন ব্যবসায়ী, ক্রেতা-সাধারণ।

অভিযোগ উঠেছে-বর্তমান বাজার কমিটির অব্যবস্থাপনা, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত করা, বাজারের ময়লা পানি নিষ্কাশনের জন্য তৈরি ড্রেনগুলোর ওপর ফুটপাত বসিয়ে ময়লা ফেলা ও ময়লা পানি জমে থাকায় দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে এখানকার পরিবেশ। এতে বাজারের হাজারো ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে প্রতিদিন লাখো মানুষকে উৎকট গন্ধ মাড়িয়ে বেচাকেনা করতে হচ্ছে। এতে বদরখালী বাজারটির ঐতিহ্য ম্লান হতে চলেছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারের মৎস্য ও শুটকী ব্যবসায়ীদের জন্য সরকারিভাবে শেড নির্মাণ করে দিলেও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির কতিপয় নেতার অনৈতিক উপার্জনের জন্য শেডের বাইরের ফুটপাত, ড্রেন ও অলি-গলি দখল করে যত্রতত্র ভাসমান দোকান বসিয়ে দিয়েছে। এতে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হওয়ার পাশাপাশি তীব্র যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে এই বাজারে। এনিয়ে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছে লিখিত ও মৌখিকভাবে অসংখ্যবার জানানো হলেও কোন সমাধান আসেনি। 

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে উপকূলীয় বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বদরখালী বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. খাইরুল বশর বলেন, স্থানীয় ও আশপাশের উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের পাশাপাশি বিদেশিদের কথা চিন্তা করে বাজারটিকে আধুনিক মানের করে গড়ে তোলা হবে। এজন্য যেসব সমস্যার কারণে বাজারটিতে দুর্গন্ধ ও ময়লা-আবর্জনার স্তুপ দেখা যাবে তা অপসারণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুদ্দীন মুহাম্মদ শিবলী নোমান বলেন, বদরখালী বাজারটির পরিবেশ যাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে সেজন্য ইতোপূর্বে আমি নিজে গিয়ে অভিযান চালিয়েছি। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এসব বিষয় ভাল করে দেখার জন্য নির্দেশ দিয়ে এসেছিলাম। এর পরও যদি পূর্বেকার অবস্থা বিরাজ করে তাহলে অচিরেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে অবৈধ স্থাপনা, ড্রেন ও শেডের ফুটপাত দখল করে যত্রতত্র বসানো ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করে দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা