kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

দুপুরের নির্জনতা হারালো সন্ধ্যার কোলাহলে

এস এম রানা, চট্টগ্রাম   

২৬ মার্চ, ২০২০ ২১:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুপুরের নির্জনতা হারালো সন্ধ্যার কোলাহলে

আগ্রাবাদ হাজীপাড়া এলাকা থেকে তোলা ছবি

বৃহস্পতিবার ভরদুপুর। চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান প্রধান সড়কে ছিল সুনশান নিরবতা ও  নির্জনতা। অলিগলির দোকানগুলো ছিল প্রায় বন্ধ। লোক সমাগম ছিল না বললেই চলে। কিন্তু দুপুরের সেই নির্জনতা ভেঙে গেছে সন্ধ্যায় জনকোলাহলে। প্রায় সারাদিন ঘর বন্ধ থাকা মানুষ সন্ধ্যায় বেরিয়েছে। কারো মুখে মাস্ক পরিহিত থাকলেও অনেকের মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। অলিগলি হলো মানুষে মানুষে ভরপুর হয়ে ওঠে। যেন অলি-গলিতে বসেছে বাজার।

বৃহস্পতিবার বিকাল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে। আগ্রাবাদ কমার্স কলেজ রোড, পাঠানটুলি, চৌমুহনী থেকে শুরু করে বদ্দারহাট পর্যন্ত ঘুরে অলিগলি গুলোতে প্রায় অভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।

অলিগলির দোকানগুলো প্রায় খুলেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার দোকান কয়েকটি কয়েকটি কাপড়ের দোকান খোলা দেখা গেছে। আর হকাররা বিভিন্ন পণ্য নিয়ে গলিতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করছেন। তাদের ঘিরে ক্রেতাদের জট আছে।

অলিগলিতে লোকসমাগম হওয়া বিষয়ে বহদ্দারহাট রোডের বাসিন্দা ও প্রিয় চট্টগ্রাম নামক সংগঠনের সহ-সভাপতি মেহেবুব আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, সাধারণ মানুষ সারাদিন ঘরে ছিলেন, সন্ধ্যায় আবার বেরিয়েছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করছেন। কেউবা নেহায়েত সময় কাটানোর জন্য বের হয়েছেন।

সাধারণমানুষ ভিড় দেখলেই সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের সরিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু নগরীর প্রতিটি অলিগলিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান সম্ভব হচ্ছে না। সেই সুযোগে নগরীর বাসিন্দারা বাসা ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার বাসিন্দারা জানান, সেখানকার মানুষজনকে বের না হওয়ার জন্য স্থানীয় কমিশনার বারবার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ এই কথা কর্ণপাত করছেন না।

অবশ্য পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই কারণে, থানা এলাকার মানুষ অকারণে বাসায় থেকে বের হচ্ছেন না। দুই একজন যারা বের করছেন তারা নেহায়েত জরুরি প্রয়োজনে বের হচ্ছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ কারণে তিনি ওইসব মানুষদের অযথা হয়রানি না করার জন্য সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

অন্যদিকে দুপুর থেকেই সাধারণ মানুষকে ঘরের থেকে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসা বাকলিয়া থানা পুলিশ তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। বখাটে যুবকদের মধ্যে যারা বাইরে আড্ডা দিচ্ছিল তাদের কান ধরে উঠবস করিয়ে শাস্তি দেয় এই থানার পুলিশ। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা