kalerkantho

রবিবার । ২২ চৈত্র ১৪২৬। ৫ এপ্রিল ২০২০। ১০ শাবান ১৪৪১

স্বাধীনতা দিবস : জামালপুরে চোখে পড়েনি জাতীয় পতাকা!

জামালপুর প্রতিনিধি   

২৬ মার্চ, ২০২০ ১৩:২৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বাধীনতা দিবস : জামালপুরে চোখে পড়েনি জাতীয় পতাকা!

আজ বৃহস্পতিবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সারা দেশের ন্যায় জামালপুরেও কোনো আনুষ্ঠানিকতা না থাকলেও শহরজুড়ে দোকানপাট ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভবনে জাতীয় পতাকা চোখে পড়ছে না। 

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন গণ-আদেশ জারি করায় সব দোকানপাট মার্কেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তথ্য অফিস থেকেও জাতীয় পতাকার বিষয়ে কোনোরূপ প্রচারণা চালানো হয়নি বলেও নিশ্চিত করেছেন খোদ তথ্য অফিস কর্তৃপক্ষ। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে জেলা প্রশাসকের গণ-আদেশ জারি হওয়ায় ২৪ মার্চ থেকে বন্ধ হয়ে গেছে জামালপুর জেলার সকল মার্কেট, দোকানপাট। তার সঙ্গে আজ বৃহস্পতিবার থেকে যুক্ত হয়েছে টানা ১০ দিনের সরকারি সাধারণ ছুটি। গণপরিবহনের সকল প্রকার মোটরযান বন্ধ থাকায় কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি বিরাজ করছে জামালপুরে। 

আজ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে শহরের প্রধান সড়কের দুই পাশে এবং শহরের অলিগলিতে ঘুরে দেখা গেছে, দোকানপাট, অভিজাত বিপণিবিতান, ব্যাংক-বিমাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বহুতল ভবনের দু-একটা ব্যতীত শতকরা ৯৯ ভাগ স্থানেই জাতীয় পতাকা টাঙানো বা ওড়ানো হয়নি। তবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, এসপি অফিস, থানা, ইউএনও অফিস, আদালত, তথ্য অফিসসহ সরকারি অফিসগুলোতে জাতীয় পতাকা উড়তে দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিবছর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগের দিন জেলা তথ্য অফিসের মাধ্যমে সারা জেলায় স্বাধীনতা দিবসের সরকারি বিভিন্ন কর্মসূচি মাইকযোগে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। ওই প্রচারণায় জাতীয় পতাকার মাপসহ পতাকা ওড়ানোর নিয়মকানুন জানানো হয়। জাতীয় পতাকা অবমাননার আইন প্রচার করেও জনসাধারণকে সতর্ক করা হয়। কিন্তু এবার করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকার স্বাধীনতা দিবসের সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত করেছে।

গতকাল বুধবার জেলা তথ্য অফিস থেকে শুধুমাত্র সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিতাদেশ প্রচার করা হয়েছে। সেই প্রচারণায় জাতীয় পতাকা ওড়ানোর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রচার করা হয়নি। শহরজুড়ে জাতীয় পতাকা চোখে না পড়ায় বিষয়টি নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছে। 

জামালপুরের জ্যেষ্ঠ জেলা তথ্য অফিসার নূরুন নবী খন্দকার কালের কণ্ঠকে বলেন, শুধুমাত্র স্বাধীনতা দিবসের সকল আনুষ্ঠানিকতা স্থগিতাদেশ বিষয়েই প্রচার করা হয়েছে। সেই প্রচারণায় জাতীয় পতাকা বিষয়ে কোনো নির্দেশনা প্রচার করা হয়নি। তবে প্রচার করা দরকার ছিল। তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাস মোকাবেলায় শহরের সকল দোকানপাট, মার্কেট দুই দিন আগে থেকেই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেছে। সবাই বাড়িতে অবস্থান করছেন। এ কারণেই হয়তো তারা জাতীয় পতাকা ওড়ায়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা