kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৭ চৈত্র ১৪২৬। ৩১ মার্চ ২০২০। ৫ শাবান ১৪৪১

করোনায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সেন্ট মার্টিন্সে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

জাকারিয়া আলফাজ, টেকনাফ   

২৬ মার্চ, ২০২০ ০৮:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সেন্ট মার্টিন্সে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস থেকে নিজেদের কিছুটা নিরাপদে রাখতে সক্ষম হয়েছেন দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ টেকনাফ উপজেলার সেন্ট মার্টিন্সের বাসিন্দারা। গত ২০ মার্চ থেকে দ্বীপে পর্যটকবাহী সব জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এরপর সর্বশেষ বুধবার থেকে দ্বীপে যাতায়তকারী অন্যসব নৌযানও বন্ধ করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। 

এতে করে নতুন করে দ্বীপে কোন মানুষের আগমণ ও নির্গমন বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে করোনা সংক্রমণের তেমন আশঙ্কা দেখছেননা দ্বীপবাসী। তবে দ্বীপের বাসিন্দাদের উৎকণ্ঠা খাদ্য সংকট নিয়ে।

সেন্ট মার্টিনস দ্বীপের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, করোনাভাইরাস যেহেতু আক্রান্ত ব্যক্তির মাধ্যমে ছড়ায় সেহেতু দ্বীপে সব ধরনের মানুষের আসা যাওয়া বন্ধ থাকবে এটা সবার জন্য ভালো দিক। এলাকাবাসী সম্মিলিতভাবে দ্বীপে কোনো মানুষকে ঢুকতে দেবেনা বলে জানিয়েছেন। এছাড়া অত্যন্ত প্রয়োজন ছাড়া নিজেরাও দ্বীপ না ছাড়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন বলে জানায়। তবে দ্বীপবাসী আশঙ্কা করছে এ পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে চললে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দ্বীপবাসীর কষ্টের সীমা থাকবেনা।

সেন্ট মার্টিনসের বাসিন্দা আব্দুল মালেক জানান, পর্যটক আগমণ বন্ধ হওয়ার পর দ্বীপে মাছধরার ট্রলার ও যাত্রীবাহী সার্ভিস ট্রলারও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এতে দ্বীপের মানুষেরা করোনা ঝুঁকিমুক্ত রয়েছে। তবে এ অবস্থা দীর্ঘদিন বিরাজ করলে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে। তাছাড়া সাধারণ মানুষ রোগাক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবাও ব্যাহত হতে পারে।

দ্বীপের আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জানান, ‘করোনাভাইরাসের কারণে দ্বীপে পর্যটন ব্যবসায় বন্ধ হওয়াতে মানুষের আয়ের পথ অনেকটা বন্ধ হয়ে গেছে। এখন সাধারণ মানুষ যারা দিনে এনে দিনে খায় তাদের কষ্ট হবে সবচেয়ে বেশি। এ মুহুর্তে দ্বীপে দরিদ্র মানুষের খাদ্য সহায়তা দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি থাকবে আমাদের।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা