kalerkantho

শুক্রবার । ২০ চৈত্র ১৪২৬। ৩ এপ্রিল ২০২০। ৮ শাবান ১৪৪১

বিয়েবাড়িতে মারামারিতে আহত ২০

পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০৮:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিয়েবাড়িতে মারামারিতে আহত ২০

বরগুনার পাথরঘাটায় বিয়েবাড়িতে তুচ্ছ ঘটনার জেরে মারামারিতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে চার জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কম্পপ্লেক্স এর জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. সাবরিনা ফারহা সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীর সূত্রে জানা গেছে পাথরঘাটসদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামের মোফাজ্জেল হোসেনের বড় কন্যা বরগুনা সরকারি কলেজের অনার্স ক্লাসের ছাত্রীকে বিয়ে দেন। বর বাগেরহাট জেলার মোংলা উপজেলার হালিম মুন্সির পুত্র মো. বেলাল। বর রাজমিস্ত্রী।

শুক্রবার দুপুরে দেড় শতাধিক বরযাত্রী নিয়ে এসে ২ লাখ টাকায় দেন মোহরে বিয়ে হয়। অতপর ভূরিভোজের পরে কন্যাকে সাজান ও কনেকে নিয়ে বর বাড়ি যাওয়ার কথা বলে। কিন্তু কনেপক্ষ এতে বিলম্ব শুরু করে। বিলম্বের কথা নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে লাঠি-সোটা দিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়।

এতে বর মো. বেলাল (২৭), বরের বোন সাজেদা (১৬), বরের ভগ্নিপতি মো.আকতার হোসেন ও বরযাত্রী মো. মানিক গুরতর আহত হলে প্রথমে পাথরঘাটা উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

প্রতক্ষদর্শী পাথরঘাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মোল্লা জানান, এমনিতেই বিয়েটি অসম পর্যায়ে হচ্ছিল। ছেলে রাজমিস্ত্রী দিন মজুর।

কনের কাছে জানতে চাইলে কালের কণ্ঠকে বলেন, আমি বরগুনা সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা ২য় বর্ষ সম্মানের ছাত্রী। বরের শিক্ষা বা পেশার ব্যপারে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহাবউদ্দিন জানান, ঘটনা শুনে কনেকক্ষের অভিভাবক ও কনেকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে। কোন পক্ষ থানায় কোন অভিযোগ দেয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা