kalerkantho

রবিবার  । ১৫ চৈত্র ১৪২৬। ২৯ মার্চ ২০২০। ৩ শাবান ১৪৪১

রায়পুরার আলগী বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি    

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১১:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রায়পুরার আলগী বাজারে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

নরসিংদীর রায়পুরায় মহেশপুর ইউনিয়নের আলগী বাজারে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বেশ কয়েকটি পাকা ও আধাপাকা দোকান উচ্ছেদ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তবে আগে থেকে সীমানা নির্ধারণ না করে কেবল মৌখিকভাবে জানিয়ে উচ্ছেদ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন দোকান মালিকরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বাজারটির সরকারি সড়ক দখল করে গড়ে তোলা ১০-১৫টি দোকান উচ্ছেদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান খন্দকার, মহেশপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।

এদিকে, উচ্ছেদ অভিযানকে সাধারণ মানুষ সাধুবাদ জানালেও, সার্ভে করে সীমানা নির্ধারণের পর দোকান মালিকদের আরো কয়েকদিন সময় দেওয়া উচিত ছিল বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, উচ্ছেদের দিন মাপ দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দোকানগুলো ভেঙে ফেলা হয়েছে। দোকান থেকে মালামাল সরিয়ে নিতে দোকান মালিক ও ভাড়াটিয়ারা সময় পাননি। এতে অনেক মালামালের ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আরো বলেন, আলগী বাজারে আরো অনেক খাস জমি অবৈধ দখলদারের কবজায় চলে গেছে। ওইসব জমিও উদ্ধারে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা। 

আম্বিয়া খাতুন নামের এক ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক অভিযোগ করেন, প্রবাসী ছেলের শেষ সম্বল দিয়ে কেনা জমিতে ঘর করে দোকান ভাড়া দিয়েছি। ভাড়ায় পাওয়া অর্থ দিয়ে সংসার চলতো। আমাকে কিছু না জানিয়ে উচ্ছেদ অভিযানের নামে আমার বিল্ডিং ভেঙে ফেলেছে সরকারি লোকজন।আমার কাছে জমির দলিল আছে।

আম্বিয়া খাতুনের মতো একই অভিযোগ করেন আরো কয়েকজন দোকান মালিক।

তবে এব্যাপারে মহেশপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ বলেন, সড়ক দখল করে দোকানগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য বাজার কমিটি অভিযোগ দিয়েছিল। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে দোকান মালিকদের উচ্ছেদের আগে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন মহেশপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বিল্লাল হোসেন।

রায়পুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দোকান মালিকদের আগে থেকেই দোকান সরিয়ে নিতে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সরিয়ে না নেওয়ায় পূর্ব ঘোষিত দিনে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা