kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

গাজীপুরের বনে নারীর লাশ

তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে খুন করে স্বামী

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতে খুন করে স্বামী

ঘাতক স্বামী এনামুল হক

কালো বোরকা ও গোলাপি প্রিন্টের সালোয়ার পরা মধ্য বয়সী এক নারীর ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে ছিল বনে। ২০১৯ সালের ১ জুলাই গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ভান্নারার বন থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।  দীর্ঘ আট মাস পর ট্রাকচালক স্বামী এনামুল হককে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে খুনের রহস্যভেদ করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)। 

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘাতক স্বামী আদালতে খুনের লোমহর্ষক স্বীকারোক্তি দিয়ে বলেছেন, তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করতেই দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা খাতুনকে খুন করেছিলেন তিনি। ঘাতক এনামুল হক (৩৪) লালমনিরহাট সদরের বলিরাম গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তাঁর সহযোগী নাজমুল হোসেন (২৮) গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পূর্ব ভান্নারার আশরাফ আলীর ছেলে।

গাজীপুর পিবিআইয়ের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাসির উদ্দিন জানান, এটি ছিল একটি ক্লুলেস মামলা। তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক মো. রুহুল আমীন আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই নারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বের করেন। গোপন তদন্তে জানতে পারেন খুন হওয়া নারীর নাম ফাতেমা খাতুন (৩৫)। তিনি এনামুলের স্ত্রী এবং সাতক্ষীরা সদরের বলগঙ্গা গ্রামের বাবর আলীর মেয়ে।

গত বুধবার সকালে সাভার থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ফাতেমার স্বামী গাড়িচালক এনামুল হককে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ওই দিন বিকেলে শ্রীপুরের নয়নপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এনামুলের সহযোগী (বর্তমানে ট্রাকচালক) নাজমুল হোসেনকে। পরে তাঁরা দুজনই খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

গতকাল বিকেলে তাঁরা গাজীপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেনের কাছে স্ত্রী হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা