kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

গৃহবধূর লাশ দাফনকালে স্বামীসহ আটক ৩

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ২১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গৃহবধূর লাশ দাফনকালে স্বামীসহ আটক ৩

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শামীমা আক্তার শারমিন (৩২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এরপর শারমিনের পরিবারের কাউকে না জানিয়েই লাশ দাফনের চেষ্টা চলে। সন্দেহজনক এসব কর্মকান্ডের সূত্রে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শারমিনের স্বামী সোহেল মিয়াসহ তিনজনকে আটক করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঘোড়ামারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গৃহবধূ শারমিন সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ঘোড়ামারা এলাকার সোহেল মিয়ার স্ত্রী। তাদের ষষ্ঠ ও প্রথম শ্রেণিতে পড়া দুই ছেলে রয়েছে। বৃহস্পতিবার শারমিনের মৃত্যু হলে গোপনে লাশ দাফনের চেষ্টা করেন স্বামীসহ শ্বশুড় বাড়ির লোকজন। বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যান জানতে পারেন। তিনি ঘটনা থানায় জানালে এসআই সুজায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে। লাশটি উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ সময় আটক করা হয়েছে শারমিনের স্বামী সোহেল মিয়া (৩৫), শ্বশুর সালেহ আহম্মদ (৬৫) ও দেবর মো. রুবেলকে (২৮)।

স্বজনদের দাবি, জুয়া খেলে বুধবার গভীর রাতে নেশাগ্রস্থ অবস্থায় বাসায় ফেরেন সিএনজি চালক সোহেল। এসময় কিস্তির টাকা পরিশোধের বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় স্ত্রী শারমিনের সাথে। তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ভোরে শারমিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। চিকিৎসক শারমিনকে মৃত ঘোষণা করলে সোহেল লাশ বাসায় নিয়ে রেখে দেন। এরপর বিকেলে লাশ দাফনের চেষ্টা চালান।

গোপনে লাশ দাফনের কথা জেনে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির আহাম্মদ পুলিশের সহযোগিতা চান। এরপর পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।  

সীতাকুণ্ড মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামীম শেখ বলেন, 'শারমিনের লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করছেন স্বজনরা। ঘটনা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা