kalerkantho

শুক্রবার । ২০ চৈত্র ১৪২৬। ৩ এপ্রিল ২০২০। ৮ শাবান ১৪৪১

পাকুন্দিয়ায় স্কুলের জায়গা দখল করে বাড়ি নির্মাণ

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৬:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকুন্দিয়ায় স্কুলের জায়গা দখল করে বাড়ি নির্মাণ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার জাঙালিয়া ইউনিয়নের চরকাওনা জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাত শতাংশ জায়গা অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. সোহাগ মিয়া ওই জমি দখল করে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। বাড়িটি উচ্ছেদের জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আউয়াল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চরকাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমির পাশাপাশি ১৯৭৩ সালে স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ফজর উদ্দিন ও হাজী মোহাম্মদ আলীর দান করা ২৪ শতাংশ জমিতে চরকাওনা জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। এরপর সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বিদ্যালয়ের আরও ৯০ শতাংশ জমির দরকার পরে। এ অবস্থায় ১৯৮৫ সালে একই এলাকার আফছর উদ্দিন, তাহের উদ্দিন, আবদুল হাই, আবুল কাশেম ও আবদুস শাহেদ মিলে তারা যৌথভাবে সড়কের পূর্ব পাশে অন্য একটি স্থানে ৯০ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করেন। ১৯৮৭ সালে ওই দান করা জমিতে দুইটি আধাপাকা ও দুইটি টিনশেড বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করা হয়। অবশিষ্ট জমি বিদ্যালয়ের মাঠ হিসেবে ব্যবহারের জন্য রেখে সেখানে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তী সময় ২০১০ সালে একই এলাকার আমির উদ্দিন বিদ্যালয়ের নামে আরো ছয় শতাংশ জমি দান করেন। 

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, একই এলাকার বাসিন্দা জাহিদ আলীর ছেলে মো. সোহাগ মিয়া নিজের পৈত্রিক জমি দাবি করে বিদ্যালয়ের অফিস সংলগ্ন সাত শতাংশ জায়গা অবৈধভাবে দখলে নিয়ে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেছেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল আউয়াল বলেন, ২০১০ সালে সোহাগ মিয়া অবৈধভাবে বিদ্যালয়ের সাত শতাংশ জায়গা দখলে নিয়ে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ চলাফেরায় খুবই সমস্যা হচ্ছে। বাড়িটি উচ্ছেদের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাইনি।

এ প্রসঙ্গে সোহাগ মিয়ার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিদ্যালয়ের জায়গায় বাড়ি নির্মাণ করিনি। আমার পৈত্রিক জমিতে বাড়ি নির্মাণ করেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)মো.নাহিদ হাসান বলেন, সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা