kalerkantho

রবিবার  । ১৫ চৈত্র ১৪২৬। ২৯ মার্চ ২০২০। ৩ শাবান ১৪৪১

প্রধান শিক্ষক জেলে

বেতন তুলতে পারছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০২:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেতন তুলতে পারছেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা

প্রধান শিক্ষক জেলে। তাই বেতন তুলতে পারছেন না সহকারী প্রধান শিক্ষক। মাস শেষে বেতন না পাওয়াতে সংসারে আর্থিক টান পরেছে শিক্ষক ও কর্মচারীদের। কবে বেতন উঠবে তাও জানেন না তারা। এরকম চিত্রই বিরাজ করছে মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টিতে ১৪ শিক্ষক ও চারজন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি এসএসসি পরীক্ষা চলাকালীন বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো. ইমরান হোসেন ও সহকারী শিক্ষক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে আসন বিন্যাসসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠে। বিষয়টি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে গত ৪ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদলতের বিচারক মো. আবদুল মালেক বাঁশতৈল কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পান। পরে তাদের আটক করে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকে বিদ্যালয়টিতে সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে পরে। ওই বিদ্যালয়টিতে ১৪ শিক্ষক ও ৪ জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির কারণে বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীরা ব্যাংক থেকে বেতন তুলতে পারছেন না বলে জানা গেছে। এদিকে বেতন না পাওয়ায় অনেক শিক্ষক ও কর্মচারীদের সংসারে আর্থিক টান পড়েছে বলে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে জানা গেছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আলী হোসেন জানান, প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষক ও  কর্মচারীরা বেতন তুলতে পারছেন না। তাছাড়া প্রধান শিক্ষক জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও তার স্বাক্ষরে বেতন হবে কিনা তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। 

বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মঞ্জুরুল কাদের বাবুলের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন পাওয়ার জন্য আমি স্বাক্ষর করে দিয়েছি। প্রধান শিক্ষক না থাকায় শিক্ষক ও কর্মচারীরা বেতন তুলতে পারছেন না বলে আমি জেনেছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবদুল মালেকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, প্রধান শিক্ষক ছাড়া পেলেই শিক্ষকরা বেতন তুলতে পারবেন বলে জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা