kalerkantho

সোমবার । ২৩ চৈত্র ১৪২৬। ৬ এপ্রিল ২০২০। ১১ শাবান ১৪৪১

হালুয়াঘাটে শিক্ষিকার পিটুনিতে স্কুলছাত্র হাসপাতালে

হালুয়াঘাট (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০১:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হালুয়াঘাটে শিক্ষিকার পিটুনিতে স্কুলছাত্র হাসপাতালে

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে নাহিদ হাসান (৭) নামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্র শিক্ষিকার ডাস্টারের পিটুনিতে আহত হওয়ার অভিযোগ ওঠেছে। 

রবিবার দুপুরে উপজেলার খরমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার নাম ফরিদা খাতুন। সে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা।

আহত শিক্ষার্থীকে রবিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সে উপজেলার খরমা গ্রামের আবু রায়হানের ছেলে। খবর পেয়ে রাত ৯টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন।

আহত শিক্ষার্থীর বাবা আবু রায়হান বলেন, দুপুরে গণিত পড়া না পারায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফরিদা খাতুন আমার ছেলেকে ডাস্টার দিয়ে পিঠে এলোপাতাড়ি পেটায়। ছেলে ভয়ে বাড়িতে কাউকে কিছু বলেনি। রাতে খাবার খাওয়ার সময় সে বমি করে। পরে ঘটনা খুলে বললে আমি দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।

এ বিষয়ে আহত শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান জানায়, গণিত পড়া না পারায় ফরিদা ম্যাডাম ডাস্টার দিয়ে আমাকে পিঠে প্রচণ্ড মেরেছে। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফরিদা খাতুন বলেন, আমি ওই শিক্ষার্থীকে হাত দিয়ে মেরেছি। ডাস্টার দিয়ে নয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দ সাদ ইবনে ওয়াসেক বলেন, রাতে ওই শিক্ষার্থীকে তার বাবা-মা হসপিটালে নিয়ে আসেন। আমরা তাকে ভর্তি করেছি, তার চিকিৎসা চলছে। প্রাথমিক ৱভাবে দেখে মনে হচ্ছে কাঠের কোনো বস্তু দিয়ে তাকে পিঠে আঘাত করা হয়েছে। 

এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার সূত্রধর বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি। ওই শিক্ষিকা যা করেছেন তা সত্যিই দুঃখজনক। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, আমি আহত শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেছি। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাতে করে এমন কাজ কেউ না করতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা