kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার    

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১৮:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

ঢাকার সাভারে 'আদর' নামে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তির একদিনের মধ্যে জাহাঙ্গীর মিয়া (৩৮) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ওই যুবকের মরদেহ ফেলে চম্পট দিয়েছে জাহাঙ্গীরকে নিয়ে মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে আসা ব্যক্তিরা।

নিহত জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহ জেলার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি সাভারের তালবাগ এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে বড় ভাইয়ের সাথে হোটেল ব্যবসা করতেন। অভিযুক্ত 'আদর' মাদক নিরাময় কেন্দ্রটি সাভার পৌর এলাকার রেডিও কলোনির উত্তরা মার্কেটে অবস্থিত।

নিহতের ভাই মানিক জানান, মানসিক ভারসাম্যহীন থাকায় জাহাঙ্গীরকে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রেডিও কলনির 'আদর' মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। রাতে ফোন করে জাহাঙ্গীরের শারীরিক অবস্থা জানতে চাইলে ওই কেন্দ্র থেকে জানানো হয়; জাহাঙ্গীর ভালো আছে। এরপর শুক্রবার সকালে বারবার ফোন করা হলেও তারা আর সাড়া দেয়নি। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই মাদক নিরাময় কেন্দ্র থেকে ফোন করে তাকে দ্রুত এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যেতে বলা হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে গিয়ে জাহাঙ্গীরের মরদেহ দেখতে পান তারা। তবে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সে সময় 'আদর' মাদক নিরাময় কেন্দ্রের কাউকে পাওয়া যায়নি।

নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রীর ভাই মো. সাদেক বলেন, হাসপাতালে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পাই। তার সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ন আছে। ওই মাদক নিরাময় কেন্দ্রে মারধরের কারণেই জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সাভার মডেল থানার এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, একদিন আগেই জাহাঙ্গীরকে ওই নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। তবে নিহতের ঘাড়, চোখসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মৃত্যু কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা