kalerkantho

সোমবার । ৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

কাশিয়ানীতে বাস-নসিমন সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১১:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কাশিয়ানীতে বাস-নসিমন সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে যাত্রীবাহী বাস ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এখন আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন ৭ জন। প্রথমে ৩ জন নিহত ও ৯ জন আহতের খবর মেলে। পরে আহত আরো দুজনের মৃত্যু ঘটে।

আজ শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কাশিয়ানী উপজেলার পোনা বাস স্ট্যান্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসব তথ্য কাশিয়ানী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আজিজুর রহমার, ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নিজামুল আলম, গোপালগঞ্জ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. অঞ্জন কুমার সাহা নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের তিতাগ্রামের বেলায়েত মুন্সীর ছেলে সুমন মুন্সী (২০), রাফিক মোল্যার ছেলে বদিয়ার মোল্যা (৩০) বজলু ফকিরের ছেলে মিজান ফকির (৫০), আজিরন ফকিরের ছেলে মো. লায়েক ফকির (৫০) ও আবি মোল্যার ছেলে সিরাজুল ইসলাম মোল্যা (৩০)।

আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘোনাপাড়া হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নিজামুল আলম জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে কাশিয়ানীর পোনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পাশ্ববর্তী সংযোগ রাস্তা থেকে একটি যাত্রী বোঝাই নছিমন মহাসড়কে উঠছিল। এ সময় থেকে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ফালগুনী পরিবহনের একটি বাসের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নছিমন যাত্রী নিহত হয়। 

পরে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে কাশিয়ানী উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে বদির ও সুমন মারা যান। আহত নছিমনের আরো ৭ যাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশংকাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নছিমনের যাত্রীরা কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের তিতাগ্রাম থেকে নছিমনে করে ভবন নির্মাণ কাজ করতে কাশিয়ানী উপজেলার ভাটিয়াপাড়া যাচ্ছিলেন বলে জানান ওই  কর্মকর্তা। তারা সবাই নির্মাণ শ্রমিক। ভাটিয়াপাড়া এলাকায় একটি ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজে যাচ্ছিলেন। 

পারুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মকিমুল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত ও আহত শ্রমিকরা তার ইউনিয়নের বাসিন্দা। তারা বিল্ডিং ঢালাইয়ের কাজ করতে যাচ্ছিলেন। 

এ দুর্ঘটনায় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাংসদ মুহাম্মদ ফারুক খান,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম, সাজাইল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বিপ্লব হোসেন, রাতইল ইউনয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বেলায়েত হোসেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মো. দিদারুল আলম ও আওয়ামী লীগের মো. ইউনুচ আলী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা