kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

রহনপুর রেলস্টেশনে উদ্ধার বৃদ্ধাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ   

২৯ জানুয়ারি, ২০২০ ০৮:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রহনপুর রেলস্টেশনে উদ্ধার বৃদ্ধাকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর

চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর রেল স্টেশন থেকে উদ্ধার হওয়া শতবর্ষী বৃদ্ধাকে ১৭ দিন পর স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান,রহনপুর পৌর মেয়র তারিক আহমদ,রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মালেক,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজমসহ ওই বৃদ্ধার ছেলে আবুল কাশেম, পুত্রবধু রহিমা বেগম, ওই এলাকার ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন ও প্রতিবেশী মহিউদ্দিন।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে তার স্বজনদের কাছে ওই বৃদ্ধার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই বৃদ্ধার নাম রাহেলা খাতুন, তাঁর স্বামীর নাম মৃত নবী মন্ডল, সাং রামচন্দ্রপুর, থানা ঝিকরগাছা, জেলা-যশোর। তিনি মেয়ের বাড়ি যশোরের নাভারণ যাওয়ার পথে ভুলক্রমে খুলনা থেকে রহনপুরগামী মহানন্দা ট্রেন যোগে রহনপুর এসে পৌঁছান।

গত ১২ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় রহনপুর রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্মে ওই শতবর্ষী বৃদ্ধার অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকার খবর প্রচারিত হলে রহনপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এএসআই তৌহিদ মন্ডল ও ডিএসবি সদস্য নুরুন্নবী সেদিন রাতে তাকে উদ্ধার করে রহনপুরস্থ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এরপর ময়মনসিংহের ভালুকা বৃদ্ধাশ্রম সাড়া তার দায়-দায়িত্ব গ্রহণ করার আগ্রহ প্রকাশ করে। এছাড়া তারা তাঁকে বৃদ্ধাশ্রমে নিতে জেলা প্রশাসনের অনুমতির জন্য আবেদন করে। তাকে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকে রহনপুর পৌর মেয়র তারিক আহমদ তার দেখাশোনা করে আসছিলেন। এরইমধ্যে উপজেলা প্রশাসন তার সন্ধান চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমসহ সোশ্যাল মিডিয়ার সূত্র ধরে তার স্বজনরা গত সোমবার হাসপাতালে আসলেও মঙ্গলবার তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে নিতে আসা স্বজন ও জনপ্রতিনিধি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে রাত ৯ টার দিকে বাড়ির পথে রওনা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা