kalerkantho

বুধবার । ৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪১

রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন কিশোরগঞ্জ ডিসি

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২০:২৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাস্তায় ফেলে যাওয়া সেই নবজাতকের দায়িত্ব নিলেন কিশোরগঞ্জ ডিসি

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভিক্ষুকের কাছে ফেলে যাওয়া সেই নবজাতককে উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানার কাছ থেকে নিয়ে আদালতের আদেশের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী বৈধ অভিবাবক হয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার সারে ৫টায় এই তথ্য জানিয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি )মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী। তবে বর্তমানে শিশুটি ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানার হেফাজতে নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার ইউএনও লুবনা ফারজানার কাছ থেকে আনুষ্ঠাকিভাবে জেলা প্রশাসক শিশুটিকে কোলে তুলে নেবেন।

ভৈরব উপজেলা প্রশাসন ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত সারে ৮টার সময় কিশোরগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রফিকুল বারী এ আদেশ দেন। সোমবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী নবজাতকটির অভিবাবকের হওয়ার জন্য আবেদন করেন। আদালত বিচার বিবেচনা শেষে নবজাতটির বৈধ অভিভাবকের নামের আদেশ জারী করে মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী ও স্ত্রী সুমনা আনোয়ারের নামে।

ভৈরবে রাস্তা ফেলে যাওয়া নবজাতককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে নিজ হেফাজতে নেন ইউএনও লুবনা ফারজানা। সোমবার রাত ৯টার সময় ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্ত লুবনা ফারজানা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিজ গাড়িতে করে উপজেলা কমপ্লেক্সে তার বাস ভবনে নিয়ে আসেন। 

ঘটনাটি দৈনিক কালের কণ্ঠে গত দুদিন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অন্তত চল্লিশজন শিশুটির দায়িত্ব নিতে আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু আইন অনুযায়ী শিশুটির ঠিকানা নির্ধারণে আদালতে আবেদন করে সমাজ সেবা অধিদপ্তর। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা জানান, আগামী বৃহস্পতিবার শিশুটিকে জেলা প্রশাসকের হাতে হস্তাস্তার করা হবে। তার আগ পর্যন্ত শিশুটির সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করণের লক্ষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নিজের বাসায় নিয়েছেন।

জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী কালের কণ্ঠকে জানান, আমাদের সংসারে একটি মেয়ে সন্তান রয়েছে। আদালতে আদেশের মাধ্যমে নবজাতকটির দেখভালের পেয়েছি। আদেশ পাওয়ার পর শিশুটির পিতামাতা আমরা। আমাদের সন্তানের মতো ওকে মানুষ করে তুলব। ওকে পেয়ে আমি ও আমার মিসেস আনেক খুশি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা