kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ঘাটাইলে তিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, দায় স্বীকার দুই আসামির

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২০:১৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঘাটাইলে তিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, দায় স্বীকার দুই আসামির

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে তিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঘাটাইল থানার পুলিশ। উপজেলার বিভন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

আসামিদের দুজন আজ মঙ্গলবার বিকালে দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছে। অপরদিকে সকালে ধর্ষিতা তিন স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে তাদের ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়। 

ঘাটাইল থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম বলেন, তিন স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত তিন জনকে মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের সোপর্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের মানাঝি টানপাড়া গ্রামের আনছার আলী খানের ছেলে ইউসুফ আলী খান (২৭), সন্ধানপুর ইউনিয়নের সন্ধানপুর গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে বাবুল হোসেন(২১) ও একই গ্রামের জব্বার আরীর ছেলে সবুজ ওরফে বাবু (৩০)।

তদন্তের স্বার্থে অপর এক আসামির নাম বলেনি পুলিশ। তিন আসামির মধ্যে দুই আসামি ইউছুফ ও বাবু দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা। জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুমন কুমার কর্মকার ও আরিফুল ইসলাম জবানবন্দি রেকর্ড করেন। টাঙ্গাইল জর্জ কোর্টের পিপি এস আকবর খান আসামিদের জবানবন্দি দেওয়ার বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ইউসুফ ও বাবু সহযোগী মিলে ওই তিন স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করার কথা স্বীকার করেছেন। 

জবানবন্দি পরে আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। ত্র ছাড়া একই দিন দুপুরে ধর্ষিতা তিন স্কুলছাত্রী ও তাদের অপর এক বান্ধবী টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নওরীন মাহবুব ও ফারজানা হাসনাতের কাছে পৃথকভাবে ২২ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানান তিনি।

টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সদর উদ্দিন কালের কণ্ঠকে জানান, ধর্ষণের শিকার কিশোরীদের সোমবার রাতে ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে। ডা. রেহেনা পারভীনকে প্রধান করে ৩ সদস্যের মেডিক্যাল টিম কিশোরীদের পরীক্ষা করেছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের প্রাথমিক আলামত পাওয়া গেছে। পরীক্ষার নমুনা ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে। সে প্রতিবেদন পেলে চূড়ান্তভাবে সব জানা যাবে। কিশোরীরা এখন অনেকটাই ভালো আছে।

উল্লেখ্য, গত রবিবার উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের সাতকুয়া এলাকায় বন্ধুদের নিয়ে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় তিন স্কুলছাত্রী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা