kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

'ইয়াবা কারবারি কনস্টেবল' আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর    

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১৪:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'ইয়াবা কারবারি কনস্টেবল' আটক

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার আনাচে-কানাচে ইয়াবা কারবার করে বেড়াতেন তিনি। নির্বিঘ্নে কারবার পরিচালনার জন্য স্থানীয়ভাবে একটি টিম তৈরি করেন। আর এ কারবারে প্রভাব খাটাতেন নিজের কনস্টেবল পরিচয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার। পুলিশের ফাঁদেই আটকা পড়ে ২৫ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হন তিনি। 

আটককৃত ওই কনস্টেবলের নাম মাহমুদুল হাসান সৈকত (৩৫)। তিনি নরসিংদী পুলিশ লাইনসে কর্মরত এবং উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছৈলাদী গ্রামের এস এম মনির উদ্দিন শেখের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। 

উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান ফারুক মাস্টার জানান, পুলিশ কনস্টেবল সৈকত পুলিশের পরিচয়ে এলাকায় ইয়াবা কারবার করতেন। শুধু নিজে নয়, তার নেতৃত্বে স্থানীয়ভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল ইয়াবা ক্রয়-বিক্রয়ের একটি বড় চক্র। পুলিশ সদস্য হওয়ায় সাধারণ মানুষ তাকে কিছুই বলার সাহস পেত না। তার ইয়াবা কারবারের ব্যাপারে সম্প্রতি কালীগঞ্জ থানাকে অবহিত করা হয়। এ কারণেই তার প্রতি থানা পুলিশের নজরদারি ছিল। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে নিজ বাড়ির পাশের একটি কালভার্টে বসে ইয়াবা বিক্রির কাজ তদরাক করছিলেন কনস্টেবল সৈকত। এ সময় থানার এসআই সুলতান উদ্দিন খান তাকে পুলিশ নিয়ে ঘিরে ফেলেন। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে আটক করে দেহ তল্লাশি করে ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে ইয়াবাগুলো জব্দ করে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। 

কালীগঞ্জ থানার ওসি এ কে এম মিজানুল হক বলেন, এ ব্যাপারে থানায় ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা দায়েরের পর ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে শনিবার দুপুরে গাজীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। কর্মস্থলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কনস্টেল সৈকত অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা