kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন

আচরণবিধি মানছেন না কাউন্সিলর প্রার্থীরা

আসাদুজ্জামান নূর, (ডেমরা) ঢাকা   

২৫ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আচরণবিধি মানছেন না কাউন্সিলর প্রার্থীরা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক কাউন্সিলরদের যে সকল আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণার কথা বলা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে অনেকটাই মানছেন না কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ৬৮নং ওয়ার্ডের পশ্চিম টেংড়া ক্যানেল পাড় রঙ্গমালা স্কুল অ্যান্ড কলেজ সংলগ্ন সেতুর অর্ধেক রাস্তা দখল করে নির্বাচনী ক্যাম্প নির্মাণ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম, একই এলাকার বিনিময় স্কুলের পার্শ্বে বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থী আনিছুজ্জামান সড়ক দখল করে ক্যাম্প নির্মাণ করেছেন।

অন্যদিকে রসুর নগর এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রার্থী মাহমুদুল হাসান পলিন দুটি ক্যাম্প নির্মাণ করে সড়ক দখল করে রেখেছেন। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পথচারীরা। পথচারীদের অভিযোগ রাস্তা বন্ধ করে নির্বাচনী ক্যাম্প নির্মাণ করায় হাটাচলা করতে বিলম্ব পোহাতে হচ্ছে তাদের। তারা বলেন, জনগণের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে যে সকল প্রার্থীরা ক্যাম্প নির্মাণ করেছেন তাদের আমরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে এলাকাবাসীর কল্যাণে তারা কতটুকু কাজ করবেন। এ নিয়ে আমাদের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এদিকে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় রানীমহল এলাকায় সড়ক বন্ধ করে ও মোটরসাইকেল বহর নিয়ে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা চলিয়েছেন ৬৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফিরোজ আলম সরকার। এ সময় সড়কের দুই পাশেই গাাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে চলাচলে বিঘ্ন ঘটে সাধারণ যাত্রীদের। 

অপরদিকে ৬৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাটকল শ্রমিকদের সংগঠন লতিফ বাওয়ানী জুট মিল পরিষদ (রেজি: ১৪১৫) (সিবিএ) অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাসু ও তার লোকজন। এ ব্যাপারে সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইস্রাফিল কালের কণ্ঠকে জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর প্রার্থী হাসু তার লোকদের দিয়ে অফিসে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে। যা ইতিপূর্বে কখনোই কেউ করেননি। এতে করে শ্রমিকদের নানামুখী সমস্যা হবে বলে জানান এই শ্রমিক নেতা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে লতিফ বাওয়ানী জুট মিলের জেনারেল ম্যানেজার মহিউদ্দিন সাদেক কালের কণ্ঠের কাছে শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের কার্যালয়ে তালার বিষয়ে অস্বীকার করেন।

তবে সংগঠনের কার্যালয়ে তালা লাগানো বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনের সভাপতি মোহম্মাদ আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, জেনারেল ম্যানাজার মহিউদ্দিন সাদেকের নির্দেশেই আমাদের সংগঠনের কার্যালয়ে তালা ঝুলানো হয়েছে। এই বিষয়টি তিনি কোনোভাবেই করতে পারেন না। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আমরা আইনিভাবে এই বিষয়ে মোকাবেলা করব।

নির্বাচনের আচরণ লঙ্ঘনের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর আক্তার কালের কণ্ঠকে বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন তাদের বিরুদ্ধে খুব শিগগিরই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা