kalerkantho

শনিবার । ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৪ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

গুরুদাসপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হত্যা মামলার আসামি

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ১৮:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গুরুদাসপুরে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হত্যা মামলার আসামি

নাটোরের গুরুদাসপুরে মনোয়ারা বেগম হত্যা মামলার আসামি আবু হানিফ শেখ (৪৬) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। নিহত হানিফ উপজেলার কালাকান্দর গ্রামের রুহুল শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজহারুল ইসলাম জানান, বৃদ্ধা গৃহবধূ মনোয়ারা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হলে তথ্যপ্রযুক্তির সহযোগিতায় আসামিদের সনাক্ত করে পুলিশ। পরে সিংড়া সার্কেলের এএসপি মো. জামিল আকতারের নেতৃত্বে গুরুদাসপুর থানা পুলিশের টিম ২৩ জানুয়ারি রাত ১টায় ঢাকার মেরুল বাড্ডা এলাকা থেকে ভাড়াটে খুনি আবু হানিফ শেখকে গ্রেপ্তার করে। তারই দেওয়া তথ্য মতে রাজধানীর বনশ্রী এবং সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানার কল্যাণপুরেও অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরো জানান, ২৪ জানুয়ারি ভোররাতে গ্রেপ্তার আসামির দেওয়া তথ্যমতে পারগুরুদাসপুর এলাকায় ওই হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় পারগুরুদাসপুর-কালাকান্দর সংযোগ সড়কের পাশে অবস্থিত কলাবাগানে অবস্থানরত মামলার পলাতক আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। বন্দুকযুদ্ধ চলাকালে আসামি আবু হানিফ পলানোর চেষ্টা করলে গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল ও একটি দেশীয় পাইপগানসহ পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। বন্দুকযুদ্ধে দুই পুলিশ সদস্য এএসআই আবুল কালাম ও এএসআই রুবেল আহত হয়েছেন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ছাড়া হানিফের বিরুদ্ধে পার্শ্ববর্তী বড়াইগ্রাম থানায় একটি হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। নিহতের মরদেহ নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জানুয়ারি ভোরে ঘরে ঢুকে পারগুরুদাসপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলীর স্ত্রী বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগমকে (৬৫) ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা