kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

গাজীপুরের বেশির ভাগ ইটভাটা এখনো সচল

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০২:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুরের বেশির ভাগ ইটভাটা এখনো সচল

গাজীপুরের অর্ধেকের বেশি ইটভাটা এখনো সচল রয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে এসব ইটভাটা চলছে। মাত্রাতিরিক্ত দূষণ রোধে উচ্চ আদালত গত ২৬ নভেম্বর গাজীপুরসহ ঢাকার আশপাশের জেলার সব ইটভাটা ১৫ দিনের মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। 

মহানগর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার হাতিমারা এলাকার দুই ভাই দুলাল মণ্ডল ও আব্দুল মজিদ মণ্ডলের মালিকানাধীন পল্লী ব্রিকস (পিবিসি) ও গাছা থানার পলাশনার এলাকার আবুল হোসেনের মালিকানাধীন শাপলা ও পিবিসি ব্রিকস ইটভাটা চালু রয়েছে।

নগরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সদর থানার কাউলতিয়া এলাকায় আব্দল্লাহ মুসল্লির এমবিআই ব্রিকস, মো. খায়রুল ইসলামের কেটিবি ব্রিকস, হারুন অর রশিদের এএএ ব্রিকস, মো. আলম হোসেনের বিবিআই, আব্দুল হালিমের এটিবি ও লোকমান হোসেনের আরবিএল ইটভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু মহানগর নয়, সদর, শ্রীপুর, কাপাসিয়া, কালীগঞ্জ ও কালিয়াকৈর উপজেলার বেশির ভাগ ইটভাটা এখনো সচল রয়েছে।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে ইটভাটা ছিল ৩৬০টি। এর মধ্যে ১৮৪টি গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকায়। বাকিগুলো জেলার বিভিন্ন উপজেলায়। বেশির ভাগ ইটভাটা এখনো চালু রয়েছে। 

পরিবেশ অধিদপ্তর গাজীপুরের উপপরিচালক মো. আব্দুস সালাম সরকার বলেন, আদালতের নির্দেশের পর মহানগরের ৩০টির বেশি ইটভাটা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ভেঙে জরিমানা করা হয়েছে। বাকিগুলো অভিযান আতঙ্কে এখন বন্ধ রয়েছে। এক দিনে পাঁচ-ছয়টির বেশি ইটভাটায় অভিযান করা সম্ভব হয় না। তার পরও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১৮৬টি ইটভাটার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭০টি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। অভিযান আতঙ্কে বেশির ভাগ ইটভাটাই বন্ধ। 

প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে কেউ কেউ ইটভাটা চালু করতে পারে। ওই সব ভাটা মালিকদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা