kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বন্দরে ডকইয়ার্ডে জাহাজের নিচে চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বন্দরে ডকইয়ার্ডে জাহাজের নিচে চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে একটি ডকইয়ার্ডে নির্মাণ করা জাহাজ পানিতে নামানোর সময় হুইল ওয়্যারের তার ছিড়ে জাহাজের নিচে চাপা পড়ে দুই শ্রমিক নিহত ও ৪ শ্রমিক আহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্দরের বিবিজোড়া এলাকার স্নেহা শিপইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে একটি বেসরকারি ডকইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। চাপা পড়ে নিহত শ্রমিকদ্বয়ের লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট।

নিহত শ্রমিকদ্বয় হলেন- ইয়া রাসুল (২৩) ও রাসেল (৩২)। নিহত ইয়া রাসুল মেঘনার ঝাউচর এলাকার গিয়াসউদ্দিনের ছেলে, রাসেলের বাড়ি একই এলাকায় বলে জানা গেছে। আহতদের নাম জানা যায়নি। ঘটনার পর বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুক্লা সরকার, বন্দর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম, তদন্ত কর্মকর্তা আজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। 

বন্দর ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, বন্দরের মীরকুন্ডি বিবিজোড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে  স্নেহা শিপইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে একটি ডকইয়ার্ড নির্মাণ করেন আবুল কালাম নামে এক ব্যক্তি।

সম্প্রতি এ ডকইয়ার্ডে একটি জাহাজ নির্মাণ করা হয়। নির্মাণ শেষে জাহাজটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার একটু আগে স্নিপওয়ে দিয়ে পানিতে ভাসানোর সময় স্নিপওয়ে ঢেবে গিয়ে দুই শ্রমিক মারা যান। নিহত শ্রমিকদ্বয়ের লাশ জাহাজের নিচে চাপা পড়ে আছে। বড় ধরনের ক্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় লাশ দুটি উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্মাণ শেষে নদীতে ভাসানোর সময় জাহাজটি স্নিপওয়ের বালুতে আটকে যায়। রাসেল ও ইয়া রাসুলসহ ৬ শ্রমিক বালু অপসারণের জন্য জাহাজের তলদেশে যায়। এ সময় হুইল ওয়্যারের তার ছিড়ে গেলে জাহাজটি বসে যায় এবং রাসেল ও ইয়া রাসুলসহ ৬ শ্রমিক জাহাজের নিচে চাপা পড়েন। ৪ শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও রাসেল ও ইয়া রাসুলকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তারা দুজন জাহাজের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত দুই শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা