kalerkantho

মঙ্গলবার । ৫ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১

তিন দিনের কর্মবিরতিতে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকবৃন্দ

প্রতিনিধি, বশেমুরবিপ্রবি   

২০ জানুয়ারি, ২০২০ ১৫:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিন দিনের কর্মবিরতিতে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকবৃন্দ

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দকে অন্যায়ভাবে লাঞ্ছনা, নিগ্রহ ও হুমকি প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও কর্মসূচি পালন করেছেন সাধারণ শিক্ষকবৃন্দ।

আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টার সময় আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষকবৃন্দ' এর ব্যানারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষক নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত সকল একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার ঘোষণা করে শিক্ষকবৃন্দ। 

মানববন্ধনে বশেমুরবিপ্রবি চেয়ারম্যান পরিষদের সভাপতি সালেহ আহমেদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এতে অভিযোগ করে বলা হয়, বেশ কিছুদিন ধরে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক বশেমুরবিপ্রবির শিক্ষকবৃন্দকে অন্যায়ভাবে লাঞ্ছনা, নিগ্রহ ও হুমকি প্রদান করা হয়ে আসছে। শিক্ষক নিগ্রহের কথা বলতে গিয়ে বিশেষভাবে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি জনাব খসরুল আলমকে হত্যার হুমকি, বিজিই বিভাগের সভাপতির বিরুদ্ধে অসত্য ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে একাডেমিক পরিবেশ নষ্ট করা, গণিত বিভাগের সভাপতি ড. দীপঙ্কর কুমারকে লাঞ্ছিত করা, বিজয় দিবস হলের প্রভোস্ট শফিকুল ইসলামকে মানহানি, হুমকি প্রদান ও মিথ্যা খবর প্রচার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের একজন শিক্ষিকাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা, বিলওয়াবসের দুজন শিক্ষিকার সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ এবং অতিসম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উপদেষ্টা কাজী মসিউর রহমান ও তার পরিবারকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য পরিসরে অসত্য প্রচার, কুরুচিপূর্ণ গালিগালাজ ও হুমকি প্রদানের ঘটনা উল্লেখ করা হয়।

মানববন্ধনে অন্য এক শিক্ষক বলেন, এ সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ মানসিক নিপীড়নে বিপন্নবোধ করছেন। এই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে শিক্ষাদান ও গবেষণার কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। এ ছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে শিক্ষক লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা