kalerkantho

শনিবার । ১০ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বেতাগীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিদ্যুতের পোল অপসারণের অভিযোগ

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:৪০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বেতাগীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিদ্যুতের পোল অপসারণের অভিযোগ

বরগুনা বেতাগীতে এক ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পল্লী বিদ্যুতের পোল অপসারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষমতার দাপটে সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্ষতিসাধনের এ অভিযোগে বরগুনা জোনাল অফিস অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা গেছে, বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের পূর্ব ছোপখালী গ্রামে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বরগুনা জোনাল অফিসের আওতাধীন বেতাগী উপ-কেন্দ্রের পোল নং-২-৭৮-৩ হতে লট নং-১৮ -২২৭, প্যাকেজ নং-১১৪-১ এর আওতায় নতুন লাইন নির্মাণ করা হয়। ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে অন্যায়ভাবে গত ১৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে নতুন নির্মিত লাইন হতে স্থানীয় লোকজনকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে না দেওয়ার উদ্দেশ্যে ওই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হুমায়ূন কবির জোমাদ্দার (৪২) ও তার সহযোগী মৃত রহম আলীর পুত্র মো. সোবাহান জোমাদ্দার (৪০) নির্মিত লাইনের তার কেটে ফেলেন এবং ২-৭৮-৩-১, ৩৫-৬ কাঠের পোল উঠিয়ে অন্যত্র ফেলে দেন। স্থানীয়দের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বরগুনা জোনাল অফিসের পক্ষ থেকে গত ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে সরেরজমিনে গিয়ে  বিষয়টি তদন্ত করে।

অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, উক্ত ব্যক্তিগণ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শতভাগ কর্মসূচি ব্যাহত করার প্রচেষ্টা করে। সরকারি কাজে বাধা প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্ষতিসাধনের এ অভিযোগে ১৯ ডিসেম্বর ‘২০১৯ বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. সাইদুর রহমান অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বেতাগী থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। 

ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হুমায়ূন কবির জোমাদ্দার এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের ঘায়েল করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ কাজটি করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।

এ বিষয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বেতাগী উপ-কেন্দ্রের প্রকৌশলী আবুল বাশার বলেন, ঘরে ঘিরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে পূর্ব ছোপখালী এলাকায় নতুন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছিল কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিগণের জায়গা-জমির উপর দিয়ে না যাওয়ার পরেও সরকারি কাজে বাঁধা প্রদান এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ক্ষতিসাধন করে। সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক স্থানীয়দের স্বাক্ষ্য ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা