kalerkantho

মঙ্গলবার । ১২ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ৩০ জমাদিউস সানি ১৪৪১

ভৈরব থানার এএসআই ক্লোজড

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ জানুয়ারি, ২০২০ ২০:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভৈরব থানার এএসআই ক্লোজড

পুলিশের বিশেষ অভিযানের নামে কিশোরগঞ্জের ভৈরব শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সেলিম ও এটি এস আই আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে লাখ টাকার বিনিময়ে চিহ্নিত দুই মাদক আড়তদার ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দৈনিক কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠনের ঘটনা তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় ভৈরব শহর ফাঁড়ির এটি এস আই আরিফুল ইসলামকে বৃহস্পতিবার পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মাসরুকুর রহমান খালেদের নির্দেশে তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয় বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, গত বছরের ১১ নভেম্বর রাতে ভৈরব থানার শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মো. সেলিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শহরের পঞ্চবটি মাদক ব্যবসায়ী আলমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে আলম, সুমিসহ আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ১ লাখ টাকায় রফাদফার মাধ্যমে নগদ ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে এবং পরে ৬৫ হাজার টাকা দেবে এ জন্য অন্য ৪ আসামিকে ৩৪ ধারায় আদালতে চালান দেওয়া হবে বলে আলম ও মাদক ব্যবসায়ী সুমিকে ঘটনাস্থলে ছেড়ে দেন সেলিম।

এ সময় তার সাথে এটিএসআই আরিফুল ইসলামও ছিলেন। পরদিন সুমি ও আলম কথা মতো বাকি ৬৫ হাজার টাকা দিতে গিয়ে জানতে পারেন আসামিদের ৩৪ ধারায় কোর্টে চালান না দিয়ে মাদক মামলায় আদালতে চালান দিয়েছেন। পরে সুমি ও আলম বাকি টাকা পুলিশকে না দিয়ে পুলিশের প্রতি ক্ষুদ্ধ হয়।

এ ঘটনা ১২ নভেম্বর দৈনিক কালের কণ্ঠে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে বাজিতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমিনুর রহমানকে ঘটনা তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তদন্তে সত্যতা পেয়ে রিপোর্ট দেওয়ার পরই ফাঁড়ির এটিএসআই আরিফুল ইসলামকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। বর্তমানে আরিফুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশ লাইনে রয়েছে।

ভৈরব চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজি মো. মোশারফ হোসেন জানান, ভৈরব বাজারে ২৮টি ব্যাংক, কয়েক হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে। প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার লেন-দেন হয়। কিন্তু শহর ফাঁড়ির ইনচার্জ ও সাথের ফোর্সের মধ্যে যদি কোনো লেনদেন হয় তবে এটা দুঃখজনক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা