kalerkantho

বুধবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ১ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

নেই সাব রেজিস্ট্রার, পানি পড়ে নষ্ট হয় দলিলপত্র

সমস্যায় জর্জরিত গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিস

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ২২:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সমস্যায় জর্জরিত গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিস

সমস্যায় জর্জরিত ময়মনসিংহের গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিস। তিন মাসের বেশী সময় ধরে সাব রেজিস্ট্রার নেই। ত্রিশ বছর আগে নির্মিত ভবনটিতে ছাঁদ চুঁইয়ে পানি পড়ে নষ্ট হচ্ছে মূল্যবান দলিলপত্র। ভবনের ওয়ালগুলো ড্রেমেজ হয়ে খসে পড়ছে পলেস্তারা।

গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর সাব রেজিস্ট্রার গিয়াস উদ্দিন বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার পর পূর্ণকালীন কোনো সাব রেজিস্ট্রারকে এখানে পদায়ন করা হয়নি। প্রথমে পার্শ্ববর্তী ভালুকার সাব রেজিস্ট্রারকে ও এখন তারাকান্দা উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার ওমর ফারুককে গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পূর্ণকালীন সাব রেজিস্ট্রার থাকলে এখানে সপ্তাহের পাঁচ দিনে ৩০০-৩৫০টি দলিল রেজিস্ট্রি হতো। কিন্তু অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সাব রেজিস্ট্রার সপ্তাহে একদিন-দুদিন আসার কারণে দলিল রেজিস্ট্রি কমে ১০০-১৫০টিতে নেমে এসেছে। ফলে দলিল ডেলিভারি, নকল ডেলিভারি, দলিল তল্লাসী দেওয়া, রেকর্ড তল্লাসী দেওয়াসহ অন্যান্য যাবতীয় কাজ থেমে আছে। প্রতিদিন প্রত্যন্ত এলাকা থেকে উপকারভোগী মানুষ এসে সাব রেজিস্ট্রার না পেয়ে ফিরে যান।

সাব রেজিস্ট্রারের একতলা কার্যালয় ভবনটি রাস্তা থেকে অত্যন্ত নিচু স্থানে ১৯৯০ সালে নির্মিত হওয়ায় বৃষ্টি হলে ভবন চত্বরে হাঁটু পানি জমে যায় এবং ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করায় ছাঁদ চুঁইয়ে পানি পড়ে মূল্যবান দলিলপত্র নষ্ট হচ্ছে। ভবনের মেঝে থেক থেকে ও সকল ওয়াল, বীম ড্রেমেজ হয়ে পলেস্তারা খসে পড়ছে।

বাইরে থেকে ভবনটি দেখলে মনে হবে যেন শত বছরের পুরনো কোনো ভবন। যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিসে প্রতিদিন শত শত মানুষের সমাগম হয়। চত্বরটি ছোট হওয়ায় লোকজনের দাঁড়ানোর জায়গা পর্যন্ত থাকে না। আগত লোকজনের বসার কোনো জায়গা নেই। অথচ সাব রেজিস্ট্রার অফিসের যে পরিমাণ জমি আছে বহুতল আধুনিক একটি ভবন নির্মাণ হলে এ সমস্যা থাকতো না।

গফরগাঁও সাব রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখক সমিতির সভাপতি হাজী মফিজুল হক বলেন, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সাহেব (সাব রেজিস্ট্রার) সপ্তাহে দুদিন আসেন। কিন্তু আমাদের দরকার পূর্ণকালীন সাব রেজিস্ট্রার। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ জমি রেজিস্ট্রি করতে এসে সাব রেজিস্ট্রার স্যারকে না পেয়ে ফিরে যান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা