kalerkantho

বুধবার  । ১৮ চৈত্র ১৪২৬। ১ এপ্রিল ২০২০। ৬ শাবান ১৪৪১

জোড়াতালি প্যানেলে নির্বাচন করছে নীল দল

বেরোবি প্রতিনিধি   

১৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০২:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



জোড়াতালি প্যানেলে নির্বাচন করছে নীল দল

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শিক্ষক সমিতির ৮ম কার্যনির্বাহী পরিষদ-২০২০ এর নির্বাচনে এবারে বিচ্ছিন্নভাবে অংশগ্রহণ করছে শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন নীল দল এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের বৃহৎ সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিলেও তাদের বিপক্ষে জোড়াতালি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে প্রচারণা চালাচ্ছে সংগঠন দুটি। 

আগামী রবিবার (২০ জানুয়ারি) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সমিতির কার্যকরী সংসদের ১৫টি পদে মোট ৩০ জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করছেন। অন্যান্য বছর দুটি প্যানেলে বিভক্ত হয়ে শিক্ষকদের সংগঠনগুলো নির্বাচন করলেও এবার তা হচ্ছে না। 

জানা যায়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ বরাবরই পূর্ণ প্যানেল নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছে। 'আওয়ামীপন্থী' দাবি করা শিক্ষকদের অপর সংগঠন নীল দল বেশ কয়েক বছর ধরে পূর্ণ প্যানেলে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আসছিল। তবে গত ২০১৯ সালের নির্বাচনে তারা প্রার্থী দেয়নি।

এবার ২০২০ সালের নির্বাচনে নীল দল, প্রগতিশীল থেকে কয়েকজন বিদ্রোহী এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদের একটি অংশ অঘোষিতভাবে জোড়াতালি প্যানেলে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। তবে ওই প্রার্থীদের অঘোষিত সেই প্যানেলকে ভিসি বিরোধী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছে।

এদিকে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের বিদ্রোহী অংশে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে কয়েকজন বিতর্কিত শিক্ষকও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে কথা উঠেছে। এটা নিয়ে সাধারণ শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষও আছে। অন্য শিক্ষকের ওপর হামলা করা, নিজের কক্ষ ভাঙচুর করে প্রশাসনের ওপর দায় চাপানোর অভিযোগসহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করার অভিযোগও আছে বলে জানা যায় বিতর্কিত সেই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। 

যোগাযোগ করা হলে নীল দলের সভাপতি ড. নিতাই কুমার ঘোষ বলেন, নীল দল কখনো ব্যক্তি স্বার্থে কাজ করে না। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে থেকে কাজ করার চেষ্টা করি। যখন প্রশাসনের সঙ্গে পেরে উঠতে পারি না তখন সরে আসি।

প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ থেকে বিদ্রোহী হয়ে নীল দলের সঙ্গে সভাপতি প্রার্থী ড. এ কে এম ফরিদ-উল-ইসলাম বলেন, প্রগতিশীল একটা বৃহৎ দল, সুতরাং এখানে ভালো মন্দের সংমিশ্রণ রয়েছে। আমাদের মধ্যে যারা উপাচার্য স্যারের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সমর্থন করতে পারছি না তারাই আলাদা করে ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

বিতর্কিত ব্যক্তি শিক্ষকদের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা রাখেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ। একজন মানুষ সব সময় খারাপ থাকবে তা কিন্তু নয়। তাকে আমরা এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখব বা রাখতে পারছি বলেই সুযোগ দিয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা