kalerkantho

শনিবার । ৯ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৪১

বনগাঁর লজ থেকে বাংলাদেশি নারীর মরদেহ উদ্ধার

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১৭ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বনগাঁর লজ থেকে বাংলাদেশি নারীর মরদেহ উদ্ধার

ভারতের বনগাঁর একটি লজ থেকে উদ্ধার হলো আসমা বেগম (৪০) নামের বাংলাদেশি এক নারীর মরদেহ। তাকে ওড়নায় ফাঁস লাগিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। এদিকে এ ঘটনার পর থেকে আসমার স্বামী নিখোঁজ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ভারতের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ শহরের একটি লজে এ ঘটনাটি ঘটে।

বনগাঁ থানার পুলিশ ও হোটেল সূত্রে জানা গেছে, যশোর কোতয়ালি থানার হাসপাতাল এলাকার আবুল কাশেম, তার স্ত্রী আসমা বেগম ও আসমার খালা মনোয়ারা বেগম গত বুধবার বাংলাদেশ থেকে বৈধ পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যায়। তাঁরা ভারতের বনগাঁ শহরের বাটার মোড়ের শ্যামাপ্রসাদ লজের তিন তলায় দুটি ঘর ভাড়া নিয়েছিল। একটি ঘরে আসমা এবং তার খালা মনোয়ারা ছিলেন। অন্য ঘরে কাশেম একা ছিলেন। লজের এক কর্মী বলেন, ওরা আগেও কয়েকবার এই লজে এসেছেন। দিনকয়েক কাটিয়ে চলেও গিয়েছেন।

হোটেলের কর্মচারীরা পুলিশকে জানান, বৃহস্পতিবার সকালে তারা স্বামী-স্ত্রীকে এক সঙ্গে হোটেলের ঘর থেকে নীচে নামতে দেখেছেন। পরে তারা ঘরে উঠে যান। এরপরে কাশেম সকাল ৮টা নাগাদ হোটেল থেকে চাবি নিয়ে বেরিয়ে যায়। দুপুর পর্যন্ত কাশেম না ফেরায় কর্মচারীদের সন্দেহ হয়। এক কর্মচারী হোটেলের ঘরে গিয়ে দেখেন, কাশেমের ঘরের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ। কাঁচের জানালা দিয়ে তিনি দেখেন, আসমা ঘরের মেঝেতে পড়ে আছেন। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। 

জানা গেছে, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আসমার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। লজে থাকা মনোয়ারাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

এদিকে নিহত আসমার স্বামী আবদুল কাশেম গতকাল সকালে পেট্রাপোল দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।

পুলিশ আরো জানায়, বিষয়টি খুন না আত্মহত্যা তা জানার চেষ্টা করছেন বনগাঁ থানার তদন্তকারীরা। তারা বলছে, প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে যে স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে কাশেম সন্দেহ করত। যা নিয়ে নিজেদের মধ্যে অশান্তি ছিল। কেন তাঁরা ভারতে এসেছিলেন, কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, কার কার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা