kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ইন্দুরকানী উপজেলা পেল নতুন দুই ইউনিয়ন

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

১৫ জানুয়ারি, ২০২০ ১০:৪০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইন্দুরকানী উপজেলা পেল নতুন দুই ইউনিয়ন

উপজেলা সৃষ্টির ১৯ বছর পর উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় ৩ টি ইউনিয়ন ভেঙে আরও দুটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে। আর এ নিয়ে বর্তমানে এ উপজেলায় ইউনিয়নের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫-এ। নতুন ইউনিয়ন দুটি হলো ইন্দুরকানী সদর ও চন্ডিপুর।

এর আগে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল ৯২.৫৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী থানার পত্তাশী, পাড়েরহাট ও বালিপাড়া নামে তিনটি ইউনিয়ন নিয়ে পিরোজপুর জেলার ৭ম উপজেলা জিয়ানগর নামে উপজেলা গঠিত হয় যার বর্তমান নাম ইন্দুরকানী।

বিজ্ঞাপন

তবে উপজেলা ঘোষণার কয়েক বছর পরেই ইউনিয়নের সংখ্যা বাড়ানোর এ ধরনের একটি প্রক্রিয়া আগেই চলমান ছিল। নানান জটিলতার কারণে এটি বাস্তবায়ন হতে কালক্ষেপণ হয়। অবশেষে দুটি ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের ঐক্যমতের ভিত্তিতেই সীমানা নির্ধারণ করে নতুন দুটি ইউনিয়নের যাত্রা শুরু হলো। আর এ দুটি নতুন ইউনিয়ন সংযুক্ত হওয়ায় খুশি এলাকার বাসিন্দারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার দুটি ইউনিয়নের আয়তন ও লোকসংখ্যা আনুপাতিক হারে অনেকটা বেশি হওয়ায় প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে পত্তাশী ইউনিয়নকে ভেঙ্গে দুটি ইন্দুরকানী সদর ও পত্তাশী এবং বালিপাড়া ইউনিয়নকে ভেঙে বালিপাড়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৬ নভেম্বর স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ১১ ধারা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার বিভাগ ইউপি-১ শাখার নির্দেশনা মোতাবেক পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জেলা’র ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী ও বালিপাড়া ইউনিয়ন ভেঙ্গে ইন্দুরকানী সদর ও চন্ডিপুর ইউনিয়ন নামে দুটি নতুন ইউনিয়ন ঘোষণা করেন। যা গত ২৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ গেজেটে প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশিত হয়েছে। নুতন ইউনিয়ন ইন্দুরকানী সদরে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯ টি, জনসংখ্যা ১৭,৭১৫ জন এবং চন্ডিপুর ইউনিয়নে ওয়ার্ড সংখ্যা ৯ টি, জনসংখ্যা ১৬,৯৪৪ জন।

চরবলেশর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো. শাহজাহান মিঞা বলেন, এ উপজেলায় আরো দুটি নতুন ইউনিয়ন সংযুক্ত হওয়ায় আমরা বেশ খুশি। এতে আলাদা বরাদ্ধ সাপেক্ষে এলাকার উন্নয়নও আরো বেশি হবে।

পত্তাশী ইউপি চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন হাওলাদার ও বালিপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন বয়াতি বলেন, পত্তাশী এবং বালিপাড়া দুটি বৃহৎ ইউনিয়ন। প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে এই পত্তাশী এবং বালিপাড়া ইউনিয়ন দুটিকে ভেঙে আরো দুটি নতুন ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদ জানান, এ উপজেলায় নতুন দুটি ইউনিয়ন হওয়ায় সরকারের উন্নয়ন সাফল্য তৃণমূল মানুষের কাছে যেতে আর কোনো বাধা রইল না।



সাতদিনের সেরা