kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

বাঘায় ভাগ্নিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামা খুন

বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি   

১৪ জানুয়ারি, ২০২০ ২১:০৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঘায় ভাগ্নিকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মামা খুন

ভাগ্নিকে উত্ত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে মামা নাজমুল হককে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ইফটিজার সুমনসহ তার লোকজন। একই সাথে আহত হয়েছে স্কুলছাত্রীর বাবা ও ভাই। আহতদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর বাঘা-লাপুর সীমান্ত এলাকার সুলতানপুর-মনিহারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালপুর উপজেলার মনিহারপুর গ্রামের আরজেত আলীর ছেলে সুমন (১৯) একই গ্রামের সাজাহান আলীর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়েকে গত ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এ বিষয়ে স্কুলছাত্রীর পরিবার থেকে বার বার বলার পরেও সুমন ওই ছাত্রীকে দিনের পর দিন উত্ত্যক্ত করে। সর্বশেষ সোমবার বিকেলে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় সুমন তার হাত ধরে টানাটানি করে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে সুমনকে শাসন করেন স্কুলছাত্রীর বাবা সাজাহান আলী ও তার ছেলে তুষার।

তুষার জানান, দুপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সন্ধ্যায় মনিহারপুর বাজার থেকে আমার বাবা বাড়ি ফেরার সময় ভোলার মোড়ে তাকে মারপিট করে সুমনসহ তার লোকজন। এ খবর পেয়ে আমি ও আমার মামা নাজমুল হক (২৮) দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। আমরা সেখানে পৌঁছামাত্র সুমনের নেতৃত্বে মিন্টু, পানা, রানা, সুলতান, সম্রাট, আরিফ, কামরুল,মিঠু ও নাজমুল এসে আমাদের লাঠি ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট শুরু করে এবং মামার দুই হাতের কবজিতে হাসুয়া দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে মামাকে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাঘা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্তব্যরত চিকিৎসক কামরুনাহার কান্তা জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নাজমুল হককে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনার পথে মারা যান। তুষারকে এখানে ভর্তি করা হয়েছে।

বাঘা থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা