kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

'যবিপ্রবির শিক্ষার্থী সাফায়েত বাঁচতে চায়'

মোসাব্বির হোসাইন, যবিপ্রবি প্রতিনিধি   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২৩:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'যবিপ্রবির শিক্ষার্থী সাফায়েত বাঁচতে চায়'

‘রক্তিম’ পুরো নাম সাফায়েত হোসেন রক্তিম। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বর্তমানে তিনি একই বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত।

ফরিদপুর সদরের এক পুলিশ বাবার তিন সন্তানের মধ্যে সবার বড়। বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত। আড়াই বছর ধরে চিকিৎসা চলছে। ধারদেনা, জমিজমা বিক্রি করেই চলছিল চিকিৎসা। সর্বস্ব হারিয়েছেন প্রায়, পরিবারের আশা ছিল বড় ছেলে রক্তিমকে ঘিরেই। স্নাতকোত্তর শেষে জরাজীর্ণ সংসারের হাল ধরবেন আর অনুজদের দায়ও নিজ কাঁধে নেবেন এটা ছিল সবার প্রত্যাশা। 

হঠাৎ এমন ভরা স্বপ্নে যেন কোনো এক প্রভাবক এসে বাধা দিল, ২ নভেম্বরে সব স্বপ্নই যেন উবে গেল কর্পূরের মতো। যাকে ঘিরে এত আশা আর যে আশাতে তার পরিবারের স্বপ্নগুলো আবর্তিত হয়, সেই আশাটাই ধোয়াশা হয়ে গেল, তাকে বাঁচানোই যেন এখন ভয়ংকর দুরাশা। 

হঠাৎ মাথা ব্যথা, সচরাচরের মতোই ট্যাবলেট। সেই দিন রাতেই ঘুমের ঘোরে স্ট্রোক। পরের দিনই ডান চোখ কার্যত অক্ষম। ক্রিয়েটিনিন টেস্ট। অস্বাভাবিক ফলাফল। নেফ্রনের ৯৬ শতাংশই অচল। কিডনির কার্যক্ষমতা মাত্র ৪ শতাংশ। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করতে হবে। ডাক্তার বলেছেন কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করা না হলে আগামী ৬ মাসের মধ্যেই শেষ হবে জীবনবায়ু।

রক্তিম এখন চেন্নাইয়ের সিমস (SIMS) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আজ শারীরিক অবস্থার আশংকাজনক অবনতির কারণে এখন আছেন অপারেশন থিয়েটারে। কিডনি ট্রান্সপ্লান্টসহ আনুষাঙ্গিক চিকিৎসায় খরচ হবে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা। যার খরচ বহন করা তার ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার জন্য একদমই অসম্ভব। তিনি সমাজের বিত্তবানদের আহবান করেছেন সাধ্যমত এগিয়ে আসার জন্য। তার সহপাঠী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট ভাই, বড় ভাই যাচ্ছেন মানুষের দ্বারে দ্বারে।

আসুন আমার সাফায়েতের পাশে দাঁড়াই। তাকে বাঁচানোর জন্য নিজ জায়গা থেকে বাড়িয়ে দেই সাহায্যের হাত। অগ্রণী ব্যাংক (যবিপ্রবি শাখা) অ্যাকাউন্ট নং-০২০০০১৪৫৫৮৬৩৬, বিকাশ নং- ০১৭০৫৩২৫০৬৯, রকেট- ০১৭৬৩১৩৩৭০০৬ বেঁচে থাকুক সাফায়াত, পূর্ণতা পাক তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া স্বপ্নগুলো।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা