kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

যৌনকর্মী নিয়ে বিরোধে লাশ হলেন যুবক

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:৫৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যৌনকর্মী নিয়ে বিরোধে লাশ হলেন যুবক

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে কালু বাইন (২৩) নামে এক যুবক খুন হয়েছেন। তাকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে সবুজ বাইন (২৫) ও স্বপন (২৭) নামে দুই বন্ধুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে ভ্রাম্যমাণ যৌনকর্মী নিয়ে ফুর্তি করার সময় এ খুনের ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ দাবি করেছে। এদিকে দুপুরে পাইনাদী সিআইখোলা এলাকা থেকে উদ্ধার হয়েছে ইমাম হোসেন (৮) নামে শিশুর লাশ। তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়,  রবিবার ভোরে পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকার কুয়েত প্লাজার সামনে ছুরিকাঘাতের শিকার হন কালু বাইন। তিনি বরিশাল জেলার বানারীপাড়া থানার তেঁতলা গ্রামের কাকরাইল বাইনের ছেলে। তিন দিন আগে কালু সানারপাড় এলাকায় বড় ভাইয়ের বাসায় আসেন কাজের উদ্দেশ্যে। তাকে হত্যার দায়ে গ্রেপ্তার করা স্বপন ও সবুজ বাইনের বাড়ি বরিশাল জেলার বানারীপাড়ায়। সবুজের পিতার নাম দেবেন বাইন। স্বপনের পিতার নাম মতিউর রহমান। এক এলাকার ছেলে হিসেবে ঢাকাতেও তারা ঘনিষ্ঠ ছিলেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই সাইদুর রহমান সাঈদ জানান, তিন যুবক গভীর রাতে পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকার কুয়েত প্লাজার সামনে গিয়েছিলেন ভাসমান যৌনকর্মীর সাথে ফুর্তি করার জন্য। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢালে তারা ফুর্তি করার সময় তর্ক হয়। তখন সবুজ ও স্বপন ছুরিকাঘাত করেন কালুকে। পরে কালুকে উদ্ধার করে সানারপাড় প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক জানান, কালু বাইন হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার দুইজনকে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ খুনের ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা সে ব্যাপারে অনুসন্ধান চলছে।

এদিকে রবিবার দুপুরে পাইনাদী সিআইখোলা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছে মনির হোসেন নামে এক শিশুর লাশ। নিজ বাসায় আত্মহত্যার মতো করে লাশ ঝোলানো ছিল। ঘটনার সময় শিশুর পিতা ইমাম হোসেন কর্মস্থলে ছিলেন। পিতা-মাতা দুজনেই  আদমজী ইপিজেডে স্যুর টু স্যুর সুয়েটার নামক কারখানায় কর্মরত। ছেলের মৃত্যু সংবাদ পেয়ে তারা বাসায় ছুটে আসেন। তাদের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার আফলবাটি এলাকায়। শিশু মনিরকে হত্যার কারণ ও খুনিদের ব্যাপারে ধারণা দিতে পারেননি স্বজনরা। আত্মহত্যার বিষয়টিও তারা মেনে নিতে পারছেন না।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মোশারফ বলেন, 'আট বছরের শিশু ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করবে, এমন ঘটনা রহস্যজনক। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। লাশ উদ্ধারের পর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা