kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পীরগাছায় বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ

পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৯:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পীরগাছায় বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ

রংপুরের পীরগাছায় ঠাণ্ডাজনিত কারণে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়া রোগের প্রকোপ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৮৩ জন নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছে। এর মধ্যে বেশীর ভাগ শিশু।

চিকিৎসকরা জানান, আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে দিনে গরম ও রাতে ঠাণ্ডা পড়ায় শিশুরা বেশী আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন কমপক্ষে ১০-১২ জন শিশু নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, দিনে রোদ থাকার কারণে একটু গরম থাকলেও সন্ধ্যার পরেই ঠাণ্ডা বেড়ে যাচ্ছে। এতে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় উপজেলার তাম্বুলপুর, চর ছাওলা, পশ্চিম দেবু, অনন্তরাম, তালুক ঈসাদ, গুয়াবাড়ি, দুধিয়াবাড়ি, জুয়ানের চর, রহমত চর ও প্রতাপ জয়সেন গ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার শতাধিক শিশু ও বৃদ্ধ আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, ঠাণ্ডাজনিত রোগ বেড়ে যাওয়ায় গত এক সপ্তাহে (৮ ডিসেম্বর থেকে) নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বৃদ্ধসহ ৮৩ জন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন নতুন আক্রান্ত শিশুরা ভর্তি হচ্ছে।

রবিবার (১৫ ডিসেম্বর) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখা গেছে, ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত ১২ জন শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। উপজেলার রামচন্দ্র গ্রামের সাড়ে তিন বছরের মিহাকে নিয়ে এসেছেন তার বাবা স্বপন মিয়া। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েছে। তাই চিকিৎসার জন্য এখানে নিয়ে এসেছি।’

ছোট পানসিয়া গ্রামের আঙ্গুর মিয়ার ছেলে আট মাসের শিশু মাহিন ডায়রিয়ার আক্রান্ত হলে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়েছে। মাহিনের মা আমেনা বেগম বলেন, ‘ছোট বাচ্চা। ঠাণ্ডার কারণে ডায়রিয়া হয়েছে। গত দুই দিন থেকে এখানে চিকিৎসা চলছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাহ নেওয়াজ সৈকত বলেন, ‘সম্প্রতি ঠাণ্ডাজনিত কারণে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। এতে আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ বেশী। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়ে তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছে।’

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু আল হাজ্জাজ বলেন, ‘প্রতি বছর এ সময় দিনে গরম ও রাতে শীত পড়ার কারণে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ে। এতে শিশুরা বেশী আক্রান্ত হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা