kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

পালাতে গিয়ে ডোবার ঠাণ্ডা পানিতে ডুবে চোরের মৃত্যু!

শেরপুর প্রতিনিধি   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৮:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পালাতে গিয়ে ডোবার ঠাণ্ডা পানিতে ডুবে চোরের মৃত্যু!

শেরপুর সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের নন্দীর বাজার টালিয়াপাড়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার সকাল ৬টার দিকে সদর থানা পুলিশ স্থানীয়দের নিকট থেকে সংবাদ পেয়ে লুঙ্গি-গেঞ্জি পরিহিত লাশটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় একটি বাড়িতে চুরি করতে গেলের এলাকাবাসীর ধাওয়ায় দৌড়ে পালাতে গিয়ে ডোবার ঠাণ্ডা পানিতে জমে তার মৃত্যু হতে পারে বলে পুলিশ ধারণা করছে। ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধারকৃত লাশ শেরপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার চরমোচারিয়া ইউনিয়নের টালিয়াপাড়া গ্রামের মহারজত মিয়ার ছেলে সুজনের বাড়িতে রবিবার ভোর ৪টার দিকে চোর প্রবেশ করলে টের পেয়ে যান সুজনসহ বাড়ির অন্যান্যরা। তখন তিনি ঘর থেকে বের হয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে বাড়ির চারদিক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অজ্ঞাতনামা ওই চোরকে দেখতে পান। ওই অবস্থায় চোর দৌড়ে পালাতে গিয়ে বাড়ির পাশে থাকা কচুরীপানায় ভরা একটি ডোবায় ঝাপ দেয়। স্থানীয়রা চোরের পিছু নিলেও কচুরিপানা ভর্তি ডোবায় তাকে দেখতে না পেয়ে বারবার ডোবা থেকে ওঠে আসতে বললেও সে আর সেখান থেকে কোনো সাড়াশব্দ করেনি।

একপর্যায়ে ঘটনাটি শেরপুর সদর থানায় জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ওই ডোবায় অনুসন্ধান চালায় এবং অজ্ঞান অবস্থায় অজ্ঞাতনামা চোরকে উদ্ধার করে। দ্রুত তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জামালপুর থেকে পিবিআই সদস্যরা এসে জেলা হাসপাতালে থাকা লাশ শনাক্ত করতে লাশের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করেন।

এ ব্যাপারে সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুল আলম ভুইয়া জানান, সুরতহাল প্রতিবেদনে উদ্ধার করা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশের শরীরে কোনো জখম দেখা যায়নি। তার লাশ শনাক্তও হয়নি। ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে অপমৃত্যু বলে মনে হচ্ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা