kalerkantho

শনিবার । ১৮ জানুয়ারি ২০২০। ৪ মাঘ ১৪২৬। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

উলিপুরে ঠাণ্ডায় কাবু ছিন্নমূল মানুষ, বাড়ছে রোগীর সংখ্যা

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৬:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উলিপুরে ঠাণ্ডায় কাবু ছিন্নমূল মানুষ, বাড়ছে রোগীর সংখ্যা

গত কয়েক দিন ধরে কুড়িগ্রামের উলিপুরে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে। দিনে তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সন্ধ্যা হলেই ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢেকে যায় পুরো এলাকা। ফলে প্রচণ্ড শীতে চরম বিপাকে পড়ছে মানুষ। বিশেষ করে অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষেরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। এদিকে, হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

প্রচণ্ড শীতের প্রভাবে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে ও সড়কের পাশে ফুটপাতে পুরনো গরম কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। স্বল্প টাকায় শীত নিবারণের এই বস্ত্র কিনতে প্রতিদিন ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন অসহায়, গরিব, ছিন্নমূল ও মধ্যম আয়ের মানুষজন। ঠাণ্ডার প্রকোপ যতই বাড়ছে, শীতবস্ত্রের অভাবে মানুষ ক্রমেই কাবু হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্ঠিত চলাঞ্চলের ছিন্নমুল মানুষ নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে।

এদিকে, ঠাণ্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শীতজনিত রোগ সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। গত ৩ দিনের ব্যবধানে শিশুসহ অন্তত প্রায় ৩৫-৪০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের অনেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে গেছেন। তবে রোগীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে বলেও জানান হাসপাতালে দায়িত্বরত ওয়ার্ড ইনচার্জ বিলকিস বেগম।

রবিবার হাসপাতালে গিয়ে কথা হয় উপজেলার বজরা ইউনিয়নের হোসনে আরা বেগমের সাথে। তিনি জানান, ঠাণ্ডায় ১৩ মাস বয়সী শিশু সন্তান তুবা কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছে। গ্রাম্য চিকিৎসা নিয়ে কোনো লাভ না হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছি।

আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. ফকরুল ইসলাম বলেন, ঠাণ্ডাজনিত কারণে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। এদের বেশিরভাগেই শিশু।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল কাদের বলেন, এ পর্যন্ত ৯ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে আরো দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা