kalerkantho

বুধবার । ২২ জানুয়ারি ২০২০। ৮ মাঘ ১৪২৬। ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

আনসার সদস্য হোসেন আলী খুনের নেপথ্যে কারা, কেন

যশোর অফিস   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৪:২৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আনসার সদস্য হোসেন আলী খুনের নেপথ্যে কারা, কেন

এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, প্রতিপক্ষের বাবা ও ভাই নিহত হওয়া এবং পারিবারিক কলহের প্রতিশোধ নিতেই যশোরে আনসার সদস্য হোসেন আলীকে খুন করা হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গতকাল শনিবার রাতে ডিবি পুলিশ সাতজনকে আটক এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ২টি মোটরসাইকেল ১টি চাকু উদ্ধার করেছে।

আটককৃতরা হলো রাসেল (২৫), আনোয়ার (২৪) হাবিল ওরফে বার্মিজ (২২), বিজয় কুমার বিশ্বাস (২১), সুজন (২৩), সজল হোসেন (২২) ও আলী রাজ বাবু ওরফে ছোট বাবু। এর আগে ১২ ডিসেম্বর এক আসামি আমিনুর রহমান মিঠুকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ আটক করে। 

আজ রবিবার দুপুরে যশোর পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে প্রেস ব্রিফিং-এ এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম রব্বানী, ডিবির ওসি মারুফ আহম্মেদ প্রমুখ।

প্রেস বিফিং-এ অতিরিক্ত পুলিস সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, গত ১২ ডিসেম্বর কোতোয়ালি থানা পুলিশ আমিনুর রহমান মিঠুকে আটক করে এবং মামলাটি ডিবি পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। মিঠুকে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আটক মিঠূর দেওয়া তথ্য এবং সন্দিগ্ধদের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে ডিবি পুলিশের একাধিক টিম ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকার ভাষানটেক ও কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত চারজন এবং তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন রাতে হাশিমপুর থেকে দুজন এবং শনিবার গভীর রাতে মাগুরার আড়পাড়া থেকে আরেক আসামিকে আটক করে। এ নিয়ে এ মামলায় মোট আটক আটজন। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, সন্ত্রাসী জুয়েলের সাথে খুন হওয়া হোসেন আলীর আধিপত্যর দ্বন্দ্ব ছিল। এ ছাড়াও নিহত হোসেন আলী অতীতে চরমপন্থী দলের সদস্য ছিলেন। এবং তার প্রতিপক্ষ মুন্নার পিতা বুলি এবং জুয়েলের ভাই বাবলা সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হওয়ার ঘটনায় হোসেন আলীর হাত আছে মর্মে সন্দেহ করে প্রতিশোধ গ্রহণ এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি পোঁতা নিয়ে পারিবারিক কলহ ছিল। মামলার অন্যতম আসামি মুন্না এবং জুয়েলসহ অন্য আসামি আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানোর পাশাপাশি তিনি বলেন, খুন হওয়া হোসেন আলী আনসারে যোগ দিয়ে পুনর্বাসন হওয়ার পরেও দুর্বৃত্তদের সাথে তার যোগাযোগ ছিল বলে ধারণা করা হয়। 

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর যশোর হাশিপুর বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে আনসার সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা