kalerkantho

বুধবার । ২৯ জানুয়ারি ২০২০। ১৫ মাঘ ১৪২৬। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

খুবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে লড়বে

আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের তিন প্যানেল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০১:৫৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আওয়ামী লীগ ও বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের তিন প্যানেল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচন আগামী ১৭ ডিসেম্বর। নির্বাচনে লড়বে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুই প্যানেল, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ (স্বাশিপ) ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (এনটিএ)। 

শিক্ষক সমিতির গঠনতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের ব্যানারে অথবা প্যানেল করে নির্বাচন করার সুযোগ নেই। এজন্য কার্যনির্বাহী পরিষদের ১৩ পদের বিপরীতে তিন প্যানেলের ৩৯ জন শিক্ষক স্বতন্ত্র প্রার্থীতা জমা দিয়েছেন। প্রার্থীতা জমা দেওয়া সকলেই স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ এবং ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন সমর্থিত।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসেনে আরা ও প্রফেসর ড. আশীষ কুমার দাস। বঙ্গবন্ধু পরিষদ সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ও প্রফেসর ড. তরুণ কান্তি বোস। অন্যদিকে ন্যাশনালিস্ট টিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন সমর্থিত প্যানেলে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করবেন প্রফেসর মো. খসরুল আলম ও প্রফেসর শরীফ মোহাম্মদ খান।

স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা বলেন, নির্বাচিত হলে শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা এবং সামগ্রিক মান উন্নয়নে কাজ করব। 

বঙ্গবন্ধু পরিষদ সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ছাত্র-শিক্ষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজের পাশাপাশি গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধি করে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে কাজ করব। ন্যাশনালিস্ট টিচার্স অ্যাসেসিয়েশন সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী মো. খসরুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুস্থ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ছাত্র শিক্ষকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করব।

ভোট দিতে পারছেন না ১৮ শিক্ষক

এদিকে ১৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের ১৮ জন শিক্ষক। ভুক্তভোগী এসব শিক্ষকরা জানান, নিয়মিত শিক্ষক হয়ে এবং শিক্ষক সমিতির চাঁদা পরিশোধ করার পরও প্রথমবারের মতো ভোটাধিকারের সুযোগ পেয়েও বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গঠনতন্ত্রের ভোটার হবার একটি ধারা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমান শিক্ষক সমিতির একাংশের বিরোধিতার কারণে তারা এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. সারওয়ার জাহান বলেন, বিগত বছরগুলোতে নিয়োগ পাওয়ার পরপরই শিক্ষকগণ সমিতির চাঁদা পরিশোধ করে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। কিন্তু এবারই প্রথম নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরা ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত হলেন। এটা অনাকাঙিক্ষত ও দুঃখজনক।

অন্যদিকে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সস্পাদক প্রফেসর মো. শরীফ হাসান লিমন বলেন, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী শিক্ষক সমিতির সদস্য হবার চাঁদা নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বেতন থেকে কাটার কথা অথচ তারা এখনো বেতন পাননি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা