kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

সীতাকুণ্ডে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সীতাকুণ্ডে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ভাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের মধ্যম বহরপুর গ্রামের অমল কৃষ্ণ আচার্য্যের ছেলে জ্যোতিষী গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠু। এতে তিনি নিজের ভাইয়ের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন। গতকাল শুক্রবার দুপুর ১২টায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 

গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠু দাবি করেন, ‘তাঁর ভাই নিতাই আচার্য্য, তাঁর স্ত্রী শিউলি আচার্য্য, সেজ ভাই কুশা আচার্য্য, তাঁর স্ত্রী লক্ষী রানী আচার্য্য, বোন রত্না রানী, প্রতিবেশী শম্ভু শীল, মাখন লাল শীল, রুবেল ভট্টাচার্য্যসহ একটি কুচক্রীমহল তাঁর জ্যোতিষ ব্যবসায় ঈর্ষান্বিত হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তাঁরা পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে মারধর, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছেন। ফলে গত ছয় মাস ধরে তিনি এলাকা ছাড়া। ফলে বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন কুশা আচার্য্য রাঠু।

এর আগে গত বুধবার গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠুর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন নিতাই আচার্য্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সে সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এলাকার সরদার মাখন শীল। 

মাখন শীল বলেন, ‘গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠু এলাকার সহজ-সরল মানুষকে ভাগ্য পরিবর্তন ও গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। তার ফাঁদে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া লোকজন এসব মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করলে গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠু তাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়।’

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, বহরপুর কালীমন্দিরে পূজা বন্ধ করতে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠু। তাঁর অত্যাচার ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ সুপার ও থানায় একাধিক অভিযোগ এবং কোর্টে সিআর মামলা দায়ের করলেও অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছেন।

ফলে তাঁর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সনাতন ধর্মাবলম্বী ৯২টি পরিবার। তিনি গৌরাঙ্গ আচার্য্য রাঠুর অত্যাচার বন্ধে এ সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা