kalerkantho

শনিবার । ২৫ জানুয়ারি ২০২০। ১১ মাঘ ১৪২৬। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

৮ লাখ ইয়াবা, ৬টি অস্ত্রসহ ৪ ইয়াবা কারবারি আটক

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার ও টেকনাফ প্রতিনিধি   

১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৮ লাখ ইয়াবা, ৬টি অস্ত্রসহ ৪ ইয়াবা কারবারি আটক

টেকনাফ সীমান্তে ইয়াবা কারবারিরা আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতিদিনই মিয়ানমার থেকে চালানে চালানে ইয়াবা আসছে। পাচার হচ্ছে ছোট ছোট চালানের সঙ্গে বড় ইয়াবার চালান। র‍্যাব সদস্যরা গতকাল শুক্রবার ভোরে টেকনাফ সীমান্তে অভিযান চালিয়ে আট লাখ ১০ হাজার ইয়াবা, ছয়টি অস্ত্রসহ ৭০ রাউন্ড গুলি এবং তালিকাভুক্ত চার ইয়াবা কারবারিকে আটক করেছে। চলতি মাসের ১৩ দিনে সীমান্তে আটক হয়েছে ১২ জন পাচারকারীসহ ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ইয়াবার চালান। উদ্ধার হওয়া এই ইয়াবার মূল্য প্রায় ৯০ কোটি টাকা। 

সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় চালানের ইয়াবা আটক হয়েছে গতকাল। টেকনাফের হ্নীলা এলাকায় র‍্যাব সদস্যরা অভিযান চালিয়ে চারজন ইয়াবা কারবারিকে আটক করেন। আটকরা হচ্ছেন স্থানীয় রঙ্গিখালী এলাকার ইয়ার মোহাম্মদের  ছেলে নুর হাফেজ (৩০), দলিলুর রহমানের ছেলে ছৈয়দ আলম ওরফে কালু (৪৫), ছৈয়দ হোছন ওরফে বার্মাইয়া পেটাইন্যার ছেলে ছৈয়দ নুর (২৭) ও সব্বির আহমদের  ছেলে মোহাম্মদ সোহেল (২৭)। 

তাঁরা সবাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা কারবারি। এ ছাড়া তাঁদের বিরুদ্ধে সীমান্তে ইয়াবা কারবার নিয়ন্ত্রণসহ সন্ত্রাস, অপহরণ, ডাকাতি ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। আটক নুর হাফেজ টেকনাফের পাহাড়ে আস্তানা গড়া রোহিঙ্গা জঙ্গি আবদুল হাকিম বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড। 

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রামের অপারেশন অফিসার এএসপি মাশেকুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে আটক পাচারকারীদের কার্যক্রমের ওপর নজর রাখা হচ্ছিল। তাঁরা মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান সংগ্রহ করে টেকনাফের পাহাড়ে এবং রোহিঙ্গা শিবিরসহ নানাজনের ঘরে লুকিয়ে রাখতেন। পরে সেখান থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হতো। গতকাল শুক্রবার ভোর রাতে তাঁদের ইয়াবা, অস্ত্রসহ আটক করা হয়। 

অভিযোগ উঠেছে, টেকনাফ উপজেলার কয়েকজন জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী সংঘবদ্ধ এই ইয়াবা কারবারিদের কাছ থেকে নগদ টাকাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়ে তাঁদের লালন-পালন করছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা