kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

এসএসসির ফরম পূরণে অনিয়ম, চিফ হুইপের ক্ষোভ

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

১২ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এসএসসির ফরম পূরণে অনিয়ম, চিফ হুইপের ক্ষোভ

এসএসসি পরীক্ষায় ফরম ফিলাপে অনিয়ম নিয়ে শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষা নিয়ে গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

ঢাকাস্থ শিবচর উপজেলা সমিতির বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে চিফ হুইপ ও শিক্ষা উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মোল্যা, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মুনির চৌধুরী, মাদারীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিয়াজ উদ্দিন খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক, উপজেলা চেয়ারম্যান সামসুদ্দিন খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ. লতিফ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. সেলিম, উপজেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম লোকমান হোসেন প্রমুখ।

সমিতির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. সেলিম আকন্দ অনষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। সভা পরিচালনা করেন ইউসুফ মুরাদ খান পারভেজ ও তুহিন রেজা। অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ১২২ জনকে সংবর্ধনা ও বৃত্তি এবং ৮০ জনকে উচ্চ শিক্ষার জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রধান অতিথি চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, এসএসসিসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় কেন বাড়তি টাকা নিতে হবে শিক্ষকদের। তারা তো ডাবল বেতন পান। সরকার ছাড়াও স্কুল ফান্ড থেকে তারা বেতন পান। এই বাড়তি টাকা নেওয়ার জন্য একটি বড় ধরনের ঝামেলা হলো। এ ব্যাপারে তিনি কঠোর মনোভাব প্রকাশ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত এখন আর তদবির করে হবে না। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তথ্য এখন ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। কোন প্রতিষ্ঠান কোন যোগ্যতা রয়েছে তা এখন আর অজানা থাকে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিরি বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, ২০০১ সালের শুরুতে জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী স্বাক্ষরতার হার ছিল প্রায় ৬৫ ভাগ। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সাল পর্যন্ত তা কমে দাঁড়িয়েছিল শতকরা ৫২ ভাগে। ২০০৯ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৫২ ভাগ থেকে বেড়ে স্বাক্ষরতার হার দাঁড়িয়েছে ৭৪ পারসেন্ট।' সবাইকে কারিগরি শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে। কারিগরি শিক্ষাই পারে আমাদের বেকারত্বও হাত থেকে মুক্ত করতে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা