kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

যবিপ্রবির প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের সনদ নিয়ে বিভ্রান্তি

ভুয়া সনদ ব্যবহার করে ১০ বছর চাকরি

মোসাব্বির হোসাইন, যবিপ্রবি প্রতিনিধি   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:০৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভুয়া সনদ ব্যবহার করে ১০ বছর চাকরি

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদ জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি নিয়েছেন। ২০১০ সাল থেকে এই ভুয়া সনদ ব্যবহার করে তিনি চাকরি করছেন। সম্প্রতি সনদপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ভুয়া সনদের বিষয়টি সবার সামনে এসেছে।

তবে প্রায় দেড় মাস আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদের সনদটি ভুয়া বলে নিশ্চিত করলেও এখনো তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

জানা যায়, ২০১০ সালে যবিপ্রবিতে প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে আব্দুর রশিদ যোগদান করেন। এ সময় তার দাখিলকৃত এলএলবি সনদে পাসের সাল ১৯৯২ দেখানো হয়। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগ থাকায় অধিকতর শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি এই এলএলবির সনদটি জমা দেন।

কিন্তু যবিপ্রবি কর্তৃপক্ষ থেকে চলতি বছরের ১২ অক্টোবর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদসহ কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ১৭টি সনদ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। সেই অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. বাবুল ইসলাম গত ২২ অক্টোবর যবিপ্রবি রেজিস্ট্রারের কাছে চিঠির মাধ্যমে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদের এলএলবি সনদেও জাল হবার বিষয়টি জানিয়ে দেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তার চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘অফিস রেকর্ড অনুযায়ী মো. আব্দুর রশীদের সনদপত্রে নামের বানানে গড়মিল থাকায় এবং মো. নজরুল ইসলামের সনদপত্র ইস্যুর তারিখ ভিন্ন হওয়ায় তা যাচাই করা গেল না। মো. আব্দুর রশিদের (এলএলবি/জুলাই১৯৯২) সনদপত্রে ‘ফলাফল’ টেম্পারিং করা। উক্ত মো. আব্দুর রশীদের সনদপত্রটি জাল বা ভুয়া।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুর রশীদ বলেন, ১৯৯২ নাকি ১৯৯৫ সালে আমি এলএলবি পাস করেছি তা ঠিক এই মুহূর্তে মনে নেই। সনদপত্র যাচাই বাছাই করা হচ্ছে কিনা তাও আমি জানি না।

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী আহসান হাবীব জানান, সনদপত্রের যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। কমিটির আহবায়ক যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল মজিদ বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন।

যোগাযোগ করা হলে সনদপত্র যাচাই বাছাই কমিটির আহবায়ক কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল মজিদ বলেন, সনদপত্রে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমরা পাঠিয়েছিলাম। যদি কারো সনদপত্রের ত্রুটি থাকে তাহলে আইন অনুযায়ী তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা