kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

দোকান ভাঙচুর : এপিক প্রপার্টিজের তিন পরিচালকের বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০২:০৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দোকান ভাঙচুর : এপিক প্রপার্টিজের তিন পরিচালকের বিচার শুরু

চট্টগ্রামের আবাসন প্রতিষ্ঠান এপিক প্রপার্টিজের তিন পরিচালকসহ চারজনের বিরুদ্ধে দোকান ভাঙচুর ও দোকানিকে মারধরের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলার বিচার শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রামের সিনিয়র মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেম মোহাম্মদ নোমান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলার আসামিরা হলেন এপিক প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী এস এম আবু সুফিয়ান, পরিচালক প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. সোলায়মান ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জল হোসেন মোল্লা।

মামলার বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোস্তফা মোহাম্মদ এমরান বলেন, ‘নকশা না মেনে জোরপূর্বক দেয়াল নির্মাণে বাধা দেওয়ায় একজন দোকানিকে মারধর করে তাঁর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে মামলাটি দায়ের হয়েছিল। মামলার চার আসামির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়েছে। আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ে শোনালে তাঁরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। আদালত অভিযোগ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় নির্ধারণ করেছেন।’

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন এলাকায় এপিক ডিভাইন নামের একটি বহুতল ভবনের একটি দোকানের মালিক শফিকুল আলম ২০১৩ সালে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, শফিকুল এপিক ডিভাইন থেকে ৩১ নম্বর দোকান কিনে ওষুধের ব্যবসা করে আসছিলেন। আসামিরা ২০১৩ সালের ১৩ জুন সন্ধ্যা ৬টায় বাদীর দোকানের পশ্চিম পাশের দরজাটি বন্ধ করে সেখানে দেয়াল নির্মাণ শুরু করেন। এতে বাধা দিলে আসামিদের নির্দেশে আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁর দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং তাঁকে মারধর করে। এ সময় এক আসামি দোকানের ক্যাশ থেকে ২৪ হাজার টাকা নিয়ে যান। এ ছাড়া ভাঙচুর করে ৩৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করেন।

ঘটনার দুই দিন পর ১৫ জুন পাঁচলাইশ থানায় এজাহার দায়ের করেন শফিকুল। ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা