kalerkantho

মঙ্গলবার । ২১ জানুয়ারি ২০২০। ৭ মাঘ ১৪২৬। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

নারী শ্রমিক ধর্ষণে ছয় যুবকের স্বীকারোক্তি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ২২:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী শ্রমিক ধর্ষণে ছয় যুবকের স্বীকারোক্তি

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লায় কয়েল কারাখানার এক নারী শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় ছয় যুবক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার রাতে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ রাতেই ছয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

সূত্র জানায়, গণধর্ষণের শিকার ওই তরুণী নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর ফকিরবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় একটি মশার কয়েল কারখানায় তার চাচাতো ভাইয়ের সাথে কাজ করতেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলো চাঁদপুর জেলার মতলবের মুক্তারকান্দি এলাকার মো. সিরাজের ছেলে রাসেল (৩৮), নেত্রকোণা জেলার কালিয়াজুড়ির মৃত রুকু মিয়ার ছেলে সুজন মিয়া (২৩), মুন্সীগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরের মৃত খোরশেদ আলমের ছেলে শাহাদাৎ হোসেন (২২), ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালের বিরামপুরের মো. ফরিদের ছেলে সুমন (২২), একই জেলার কেন্দুয়ার হাদিছুর রহমানের ছেলে মো. রবিন (২৩), শরীয়তপুর জেলার জাজিরার আব্দুল লতিফের ছেলে মো. আল আমিন(২১)। তারা প্রত্যেকেই ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর এলাকায় বিভিন্ন ভাড়া বাসায় থাকে এবং এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

নারায়নগঞ্জের এসপি মনিরুল ইসলাম জানান, সোমবার সন্ধ্যায় চাচাতো ভাইয়ের সাথে বাড়ি ফেরার পথে ফতুল্লার দাপা ইদ্রাকপুর বটতলা এলাকায় তাদের গতিরোধ করে আসামিরা। পরে চাচাতো ভাইকে মারধর করে তিনহাজার চারশ টাকা লুটে নিয়ে আটকে রাখে। একপর্যায়ে পার্শ্ববর্তী একটি টংয়ের দোকানে নিয়ে কিশোরীর মোবাইল ভেঙে ও ছুরির ভয় দেখিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় কিশোরী বাঁধা দিলে তাকেও মারধর করে আসামিরা। পরে ভুক্তভোগী ও তার চাচাতো ভাইকে একটি অটোরিকশায় তুলে দিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকি দেয়। এ ঘটনা ভুক্তভোগী কিশোরী ওই রাতেই থানায় জানালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে মেডিক্যাল টেস্টের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তারা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক আদালতে দোষ স্বীকার করে ছয় আসামি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এরপর তাদের প্রত্যেককে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা